Breaking News
Home / স্থানীয় সংবাদ / সবজির সাথে এবার ডিমের বাজার উর্দ্ধমুখি, বিপাকে নি¤œ মধ্য আয়ের মানুষ

সবজির সাথে এবার ডিমের বাজার উর্দ্ধমুখি, বিপাকে নি¤œ মধ্য আয়ের মানুষ

শেখ ফেরদৌস রহমান
খুলনাসহ আশেপাশের জেলায় সবজির দাম বেড়েছে। তবে হঠাৎ করে কয়েকদিন ধরে বেড়েছে ডিমের দাম। হঠাৎ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য উর্দ্ধমুখি হওয়াতে বিপাকে পড়েছে। নি¤œ ও মধ্য বিত্ত আয়ের মানুষ। তবে কবে নাগাদ সবজিসহ এ সব প্রয়োজনীয় জিনেসের দাম নাগাল আসবে বলতে পারছে না পাইকার ব্যবসায়িরা। মুদি দোকানে বর্তমান প্রতি পিচ সাদা ডিম নয় টাকা ও লাল ডিম প্রতি পিচ বিক্রি হচ্ছে দশ টাকা তবে আকারে বড় হলে এগারো টাকা করে। তবে বাজারে বা স্থানীয় মুদি দোকানে বিক্রি হচ্ছে একটু বেশি দামে প্রতি সাদা ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা করে ও লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা করে।
হ্যাচারি মালিক আকিদ উল ইসলাম বলেন, আসছে শীত মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত সবজি ও দেশীয় মাছের আমদানি থাকার কথা থাকলে তেমন সরবারাহ হচ্ছেনা। যে কারণে সাধারণ মানুষরা ডিম ক্রয় একটু বেশি করছে। তাছাড়া ডিমের হ্যাচারির ব্যাবসায়ী হিসেব যতটুক জানি দাম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ। একটা লেয়ার মুরগি বাচ্চা থেকে ডিম উৎপাদন করতে সব খরচ মিলিয়ে প্রতিদিন সাড়ে ছয় টাকা থেকে সাড়ে ছয় টাকা প্রর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক সময় মুরগী মারা যায়। আর সব থেকে বড় কারণ হলো মুরগী উৎপাদন করার জন্য যে খাবারের প্রয়োজন সে সব ফিডের দাম অনেক বেড়েছে। প্রায় বস্তা প্রদি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মত যে কারণে ডিমের দাম বাড়ছে। তাছাড়া এই ব্যবসা অনেকে গুটিয়ে নিয়েছে কারণ অনেক হ্যাচারী মালিকরা উৎপাদন করতে না পেরে বা খরচের থেকে কমে ডিম বিক্রি করার কারণে। ব্যাবসায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যে কারণে হ্যাচারী ব্যাবসায়ী কমেছে। এ বিষয়ে খুলনা বেসরকারী চাকুরী জিবী মাহমুদলু হাসান জনি বলেন, খাদ্য মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা, তবে সবজির বাজার বর্তমান আগুন, কাচা তরকারী সবজি দাম প্রতি কেজী ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকার উপরে। ফুলকপি, টমেটোসহ শীতের সবজি প্রতি কেজি ১৩০ টাকার মত। বেগুন ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা ভোজ্য তেল ১৬০ টাকা প্রতি লিটার। করোনাকালিন সময়ে পেয়েছি অর্ধেক বেতন। এখন সব কিছু স্বাভাবিক পর্যায়ে আসলেও দ্র্্যমূল্যের বাজারে অধিক হারে দাম বাড়ছে। তবে সই তুলনায় বাড়েনি আমাদের বেতন ঘর ভাড়াসহ ছেলে মেয়ের পড়াশুনার খরচের সাথে তাল মিলিয়ে অনেকটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাছাড়া সরকরীভাবে টিসিবির যে মালামালগুলো দিচ্ছে আর সেই মালামাল উঠাতে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি অত্যন্ত দ্রবমূল্য বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন।
টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, টিসিবির কার্যক্রম গত ৩১ অক্টেম্বর থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ মাসের চলতি সপ্তাহ আবারও টিসিবি মালামাল পাবে সাধারণ মানুষ। আমরা শহরে প্রতিদিন ৫টি ট্রাক, উপজেলা ৭টি ট্রাকে করে মালামাল দিচ্ছি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*