Breaking News
Home / স্থানীয় সংবাদ / বাগেরহাটের চন্দ্রমহল ইকোপার্কের মুল ভবন হেলে পড়ায় দর্শনার্থীদের মাঝে আতংক

বাগেরহাটের চন্দ্রমহল ইকোপার্কের মুল ভবন হেলে পড়ায় দর্শনার্থীদের মাঝে আতংক

শিশির শিকদার, চুলকাটি
বাগেরহাটের রনজিৎপুর আলোচিত সমালোচিত ও বহু বির্তকীত বিনোদন কেন্দ্রে চন্দ্র মহল ইকোপার্কের মূল ভবনটি আগের চেয়ে অনেকটা হেলে পাড়ায় দর্শনার্থীদের মাঝে অজানা আতংক বিরাজ করতে শুরুর করেছে। নিচের মাটি সরে যাওয়ায় পিলার গুলি তার ধারণ ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারায় মুল ভবণ হেলে পড়েছে। এতে চন্দ্র মহলে আসা শতশত দর্শনার্থীদের মাঝে অজানা আতংক বিরাজ করছে। আর ঝুঁকে পড়ার কারণে ভবনটি এখন চরম ঝুকির মধ্যে দন্ডায়মান রয়েছে। অতিদ্রুত গণপুত্ত বা এলজিইডি বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার এর মাধ্যমে ভবণটি পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে মুল ভবনটি ঝুকিপূর্ণ কি না তা যাচাই না করে দশনার্থীদের ভিতরে প্রবেশ করালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশাংখা রয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে জনৈক সেলিম হুদা নামের একব্যক্তি চিত্ত বিনোদনের জন্য ব্যবসা স্বরুপ ১১.৭৮ একরের জমির অনুমতি নিয়ে চন্দ্র মহল ইকোপার্ক নিমাণ করেন। নির্মানের সময় তারা ১১.৭৮ একর জমির অনুমনি নিলেও পরবর্তিতে ২২ একর জমি তার আওতায় এনে পার্কটি সম্প্রসারণ করেন। সম্প্রসারণ করার সময় পার্কের পাশ দিয়ে প্রবাহমান ১১৫নং রনজিৎপুর মৌজায় ১নং দাগে ভোলা নদীর পূর্বপাড় ও তার ভরাট করা চর দখল করা হয়। খালের পাড় ও চর দখল করে পার্কের আয়তন বাড়ানোর কারণে খালের নব্যতা যেমন কমেছে, তেমনী পানির গতি কমে যাওয়ায় খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার সর্ত্তে কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, মুল ভবনটি উত্তর-পশ্চিম পার্শ্বে অনেকটা হেলে পড়েছে। তার পরও কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদেরকে অহরহ ভিতরে প্রবেশ করতে অনুমতি দিচ্ছে। মূল ভবনের ভিতর থেকে কোন কিছু না বোঝা গেলেও বাইরে থেকে সব কিছু বোঝা যায়। এই মূল ভবনটি চরম ঝুকিপূর্ণ বলেও তারা জানান। তাদের দাবী ঝুকিপূর্ণ ভবনটি অতিদ্রুত পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা না হলে ভবনটি হেলে পড়তে পড়তে তা ভেঙ্গে যানমালের ক্ষতির কারণ হবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মূল ভবনের নিচেই অথাৎ পানি নিচেই আন্ডার ওয়ার্ড ১টি রাস্তা ও একতলা ১টি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই আন্ডার ওয়ার্ড রাস্তা ও ভবনটি কিসের জন্য তৈরী করা হয়েছে। এই গোপন ভবনে বেশ কয়েকটি গোপন কক্ষ কাদের জন্য তা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা মূল ভবনের নকসা সহ সরেজমিনে তদন্ত করলে বহু রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে অনেকের ধারনা। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে চন্দ্রমহল ইকোপার্কের স্বত্তাধীকারী সৈয়দ আমানুল হুদার সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয় নি। তবে পার্কটির কর্মচারী শওকত শেখ এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন ভবনটি ঠিকই তো আছে। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী জ্যোতিনময় মোহন বলেন আমি ভবনটি হেলে পড়েছে কি না তা অবগত নই,যদি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দ্দেশনা পাই তবে সরকারী কাজে সহয়তা করে বিস্তারিত জানাতে পারব।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*