Breaking News
Home / স্থানীয় সংবাদ / কেসিসি’র প্রকল্পের খসড়া নীতি অধ্যয়ন ফলাফল এবং পরিবীক্ষণ কাঠামো সহযোগিতার জন্য আয়োজিত পরামর্শ ও আলোচনা সভা

কেসিসি’র প্রকল্পের খসড়া নীতি অধ্যয়ন ফলাফল এবং পরিবীক্ষণ কাঠামো সহযোগিতার জন্য আয়োজিত পরামর্শ ও আলোচনা সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রিয় নগরী খুলনাকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা দরকার। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা খুলনার উন্নয়নে প্রচুর বরাদ্দ দিয়েছেন। এ বরাদ্দ কাজে লাগিয়ে যখন উন্নয়নের কাজ এগিয়ে যেতে থাকে তখন করোনা ভাইরাস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ায় তা সাময়িকভাবে ব্যহত হয়। এখন আবার উন্নয়ন প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে। সিটি মেয়র বলেন, চলমান প্রকল্পসমূহের পাশাপাশি ময়ূর নদী খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সিটি কর্পোরেশন অধিভুক্ত আট কিলোমিটার এলাকায় নদী খনন কাজ শুরু করা হবে।
সিটি মেয়র বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে প্রকল্পের খসড়া নীতি অধ্যয়ন ফলাফল এবং পরিবীক্ষণ কাঠামো সহযোগিতার জন্য আয়োজিত পরামর্শ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। দাতা সংস্থা ইএসএআইডি এবং এফসিডিও’র আর্থিক সহযোগিতায় গৃহীত ‘‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর নাগরিক চাহিদা পূরণে পরিবেশগত সক্ষমতা তৈরী’’ শীর্ষক প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘সুশীলন’ ও ‘পরিবর্তন’ এ সভার আয়োজন করে। প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৫ ও ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় বসবাসরত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কেসিসিসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাজের সাথে সমন্বয় করা হবে। এছাড়া শহর, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে সরকার কর্তৃক মানসম্মত সম্পদ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পানি, পয়: ও বর্জ্য নিষ্কাশন পরিসেবা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকরী মনিটরিং ফ্রেমওয়ার্ক তৈরী করাসহ বরাদ্দকৃত সম্পদ বিষয়ে নাগরিকদের জ্ঞান ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জাতীয় পরিবেশ নীতিমালা বিষয়ে সচেতন করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আরো বলেন, নগরীতে টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা দরকার। বিভিন্ন সংস্থা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থেকে উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করায় কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব হয় না। বর্জ্য দূষণ রোধে প্রত্যেক বাড়ির মালিকের সচেতন থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে নিজ নিজ উদ্যোগে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য রাখতে হবে। যাতে করে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা সেখান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে টেনসিল গ্রাউন্ডে নিতে পারে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে বাড়ির নকশা প্রদানের সময় বাড়ির অভ্যন্তরে বর্জ্য রাখার স্থান নিশ্চিত করা জন্য তিনি কেডিএ’র প্রতি আহবান জানান। এছাড়া নগর সংলগ্ন ভৈরব ও ময়ূর নদী ক্রমশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় নগরীর পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়া বিঘিœত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সরকারি ব্যবস্থাপনায় নদী দুটি খনন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সুশীলন এর নির্বাহী প্রধান মোস্তফা নূরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে কেসিসি’র বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, সচিব মো: আজমুল হক, প্রধান প্রকৌশলী মো: এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আজিজ, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাজিবুল আলম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: আনিসুর রহমান, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম, পরিবেশ অধিদপ্তর-খুলনার উপপরিচালক এমদাদুল হক, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, নাগরিক নেতা শাহিন জামান পন, মিনা আজিজুর রহমান প্রমুখ সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*