Breaking News
Home / স্থানীয় সংবাদ / তেলের দাপটের পর খুলনায় ঝাঁজ বাড়ছে পেঁয়াজের

তেলের দাপটের পর খুলনায় ঝাঁজ বাড়ছে পেঁয়াজের

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনার বাজারে সয়াবিন তেলের দাপটের পর ঝাঁজ বাড়ছে পেঁয়াজের। প্রতিকেজিতে ১০-১৫ টাকা করে বেড়েছে। সম্প্রতি ব্যবসায়ীরা ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি। ক্রেতাদের অভিযোগ ব্যবসায়ীদের কারিসাজিতে বেড়েছে এর দাম। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন আমদানি বন্ধ হওয়ার কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি খুলনায় তেলের দাম ২০০ এর ঘরে পৌঁছানোর পরেও তেলের হদিস না মেলায় র‌্যাব-৬ ও প্রশাসনের অভিযানে গুদামে মেলে তেলের মজুদ। এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি শুরু হয়েছে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো। যে পেঁয়াজ কয়েকদিন আগেও ভ্যানে ৪ কিংবা ৫ কেজি ১০০ টাকা বিক্রি করলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫-৪০ টাকা দরে।
সরেজমিন নগরীর সোনাডাঙ্গা পাইকারি বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার, বড় বাজারসহ অন্যান্য বাজারের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি পেঁয়াজ বর্তমানে ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন ৩৫-৪০ টাকা। অথচ গত দু’দিন আগেও এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির পণ্যটির দাম ছিল ২৫-৩০ টাকা।
বড় বাজারে তেল ও পেঁয়াজ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহমুদ হাসান বলেন, গ্রীষ্মের তাপের সাথে রয়েছে সয়াবিন তেলের বাজারের গরম। তারপর আবার শুরু হচ্ছে পেঁয়াজের দামের ঝাঁজ। এভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকলে স্বল্প ও মধ্যবিত্ত মানুষের চলতে খুবই কষ্ট স্বীকার করতে হবে। এরা কারও কাছে হাতও পাততে পারবেনা। বাজারে জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নিকট জোর দাবি জানান।
মিস্ত্রি পাড়া বাজারে বাজার করতে আসা গৃহিনী করিমন বেগম বলেন, এভাবে জিনিসের দাম বাড়তে থাকলে কয়েকদিন পর আর তারমতো লোকের বাজারে আসা লাগবে না। কেননা তার যে আয় হয় তা দিয়ে চালই ঠিকমতো কিনতে পারে না। আর তেল-পেঁয়াজ কেনাতো দূরের কথা।
মহানগরীর বড় বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহের পরিমাণ ও আমদানিও স্বাভাবিক আছে। তবে বাজারে ভারতীয় এলসি পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ায় এর দাম বেড়ে গেছে।
সোনাডাঙ্গাস্থ পাইকারী বাজারের ব্যবসায়ী ফরহাদ হোসেন বলেন, ফরিদপুর, শালতা, নগরকান্দা ও অন্যান্য এলাকা থেকে এই বাজারে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। সেখানে দাম বেড়ে গেলে সবস্থানে দাম বেড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া পেঁয়াজের গায়ের রস শুকিয়ে গেছে। সারা বছর ধরে এটি সংরক্ষণ করার জন্য এবং দাম আরও বাড়বে এমন আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় পেঁয়াজ মজুদ করে রাখছে। তাছাড়া দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আমদানি বন্ধ হওয়ার বিষয়টিতো রয়েছেই।
ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারী মোকামগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ানো হয়। কিছুই করার থাকে না। কেননা অধিক দামে কিনতে হয়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*