Breaking News
Home / স্থানীয় সংবাদ / প্রধানমন্ত্রীকে দেখে নারীরা হচ্ছেন আতœবিশ্বাসী

প্রধানমন্ত্রীকে দেখে নারীরা হচ্ছেন আতœবিশ্বাসী

রুনু ইকবাল বিথার, চেয়ারম্যান জাতীয় মহিলা সংস্থা

আনিছুর রহমান কবির ঃ প্রধানমন্ত্রী ও পদ্মা সেতুর একে অপরের পরিপূরক, প্রধানমন্ত্রীকে দেখে নারীরা হচ্ছেন আতœবিশ্বাসী। জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, ২৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শহীদ ইকবাল বিথার এর স্ত্রী ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কেডিএ’র সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) রুনু ইকবাল বিথার বলেছেন, এক সময় নারীরা ছিল অবহেলিত কিন্তু উন্নয়নের মডেল রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব অসম্ভবকে সম্ভব করে আমাদের সেই পুরাতন চিরচারিত চিন্তাধারা বদলে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নারী হয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের যে বিপ্লব ঘটিয়েছেন, নিজেদের অর্থায়নে তৈরি করছেন পদ্মা সেতু। যা দেখে শুধু বাঙালি নয় বিশ্ব নারী সমাজ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সাথে সাথে খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের শিল্প-কারখানার প্রসার ঘটবে। আর এরই সাথে সাথে সঠিক পরিকল্পনায় গড়ে তুলতে হবে নগরীকে। কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের দুয়ার খুলে যাবে, দৈনিক প্রবাহ কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, ২৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শহীদ ইকবাল বিথার এর স্ত্রী রুনু ইকবাল বিথার ।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি পদ্মা সেতুকে উন্নয়নের পিরামিড হিসেবে তুলনা করেন বলেন, আমি মনে করি পদ্মা সেতু একটি উন্নয়নের পিরামিড। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সাথে সাথে ধীরে ধীরে পিরামিডের মত দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ণ বাড়তে থাকবে। পদ্মা সেতুর কারণে ২১ টি জেলায় উন্নয়নের বিপ্লব ঘটবে। পদ্মা সেতু ২১ টি জেলার অবকাঠামোকে পরিবর্তন করে দিবে, পর্যটন শিল্পের আমূল পরিবর্তন ঘটবে। ভরে উঠবে হোটেল-মোটেল ভারী শিল্প কলকারখানা। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এলাকায় বসেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। সৃষ্টি হবে নতুন নতুন উদ্যোক্তা।
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটবে। আর এর সাথে সাথে অর্থনীতির চাকা ও দ্রুতগতির সাথে ঘুরতে শুরু করবে। আগে যে কৃষক তার ক্ষেতের উৎপাদিত পণ্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে নিতে গেলে পচে যাবে এই ভয়ে খুলনার লোকাল মার্কেটে বিক্রি করতে বাধ্য হতো, সেই কৃষকটি এখন সরাসরি পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকার মার্কেটে বিক্রি করতে পারবে এবং অধিক মুনাফা অর্জন করবে। এতদিন যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় মোংলা বন্দর তার জৌলুস হারাতে বসেছিল। পদ্মা সেতু মোংলা বন্দরকে আরও বেগবান এবং গতিশীল করে তুলবে।
দক্ষিণাঞ্চলে অনেক জায়গা রয়েছে এতদিন পদ্মা সেতুর না থাকার কারণে অনুন্নত হিসেবে পড়েছিল। এসকল জায়গাগুলোতে এখন আমরা বিদেশি বা দেশের শিল্পো উদ্যোক্তাদের ভারী শিল্প তৈরি জন্য আসতে দেখবো এবং এসকল ভারী শিল্প দক্ষিণাঞ্চলে স্থাপিত হলে আমরা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো। অপর দিকে চাপ কমবে ঢাকার। এসকল ভারী শিল্প স্থাপিত হলে যেমন ব্যাবসায়িক লেনদেন বাড়বে, ব্যবসার প্রসার ঘটবে তেমনি বেকারত্ব কমবে । এভাবে একটার পর একটা গড়ে উঠবে কল কারখানা ও শিল্প অঞ্চল। আর এ সকল কারণেই পদ্মা সেতুকে আমি পিরামিড হিসেবে তুলনা করেছি বলে তিনি জানান। নারীদের ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এ নারীনেত্রী বলেন, আমরা সবসময়ই একে অপরকে অনুকরণ করি। একজন নারী যখন দেখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, তিনি যখন সারা বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে পেরেছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী নারী হয়ে বাংলার বুকে কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু টানেল করতে পেরেছেন। যিনি নারী হয়ে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উদ্ভাবন করতে পেরেছেন। তখন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার এসকল অসম্ভবকে সম্ভব করার কারণেই নারীরা হয়ে উঠছে আত্মবিশ্বাসী, ও দৃঢ় প্রত্যয়ী।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*