ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিক ওষুধের ব্যবহার বাড়ছে

আড়ালে ওষুধ কোম্পানি ও অসাধু চিকিৎসক সিন্ডিকেট
শেখ ফেরদৌস রহমান : মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক এন্টিবায়টিক ওষুধের ব্যবহার বেড়েই চলছে। শরীরে সামান্য জ¦র, সর্দি ও কাশি, গলা ব্যাথা হলেই চিকিৎসক লিখছেন এন্টিবায়টিক। এমনকি এই এন্টিবায়টিক ব্যবহার ক্ষেত্রে শিশুরা ও বাদ যাচ্ছেনা। এমনকি নবজাতক শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক কোন রকম নরমাল ওষুধ না লিখে আগেই প্রেস্ক্রিপসনে লিখছেন উচ্চমাত্রা এন্টিবায়োটিক। যা পরবর্তিতে ভবিষ্যতে শিশুদের জন্য মারাত্মক হুমকি। সরোজমিনে দেখা যায় খুলনা বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে অধিকাংশ চিকিৎসকগণ প্রতিটা রোগীর জন্য লিখছেন উচ্চমাত্রা এন্টিবায়োটিক। আর আড়ালে থেকে পর্যবেক্ষন করছেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। এসব এ্যান্টিবায়েটিক সেবনে রোগীর শারিরিক অবস্থার দ্রুত উন্নত হলেও পরবতিতে আরও বেশি শারিরিক জটিলতার আশাংখা থেকে যায় এমনটি বলছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া রোগীরা সব সময়ে চিকিৎসকের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে আগ্রহী থাকে। তবে কতিপয় অসাধু চিকিৎসক যে ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে কমিশনে বা মাসক উপটৌকনে এসব ক্ষতিকারক এ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখছে তা জানেনা অধিকাংশ রোগীরা। এ বিষয়ে শ্রমিক, রাজনৈতিক নেতা ও সচেতন নাগরীক মোঃ খালিদ হোসেন বলেন, সর্ব প্রথম বলব ওষুধ কোম্পানির রি -প্রেজেন্টভ দ্বারা বর্তমান শতকরা ৯৬ ভাগ চিকিৎসক বায়াস্ট হচ্ছে তারা বিভিন্ন প্রলোভোন নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে ওষুধ কোম্পানি চিকিৎসকদের হাত করছে যে কারনে এন্টিবায়োটিকের ব্যাবহার বেড়েই চলছে কে শিশু বা কে বৃদ্ধ এটা দেখার সময় নেই চিচিকিৎসকদের তবে এর থেকে আমাদের বের হতে হলে সর্ব প্রথম সরকারী ব্যাবস্থপনায় মনিটরিং করতে হবে। পাশাপাশি এই এন্টিবায়োটিক ক্ষতিকর মাত্রা সম্পর্কে সরকারী বেসরকারী পর্যায়ে সকলকে সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলে হয়তো এই ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিক এর যত্রতত্র ব্যবহার অনেকটা কমে আসবে। এ বিষয়ে খুলনা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মাদ কামাল হোসেন বলেন, প্রথম এষ্টেজে কোন রোগী বা শিশুকে উচ্চমাত্রা এন্টিবায়োটিক দেয়া ঠিক না। তবে যখন নরমাল ঔষুধে কোন কাজ না হলে তখন এন্টিবায়োটিক দেয়া প্রয়োজোন । এক্ষত্রে শিশুদের এই এন্টিবায়োটিক একবার শরীরে প্রয়োগ করলে তার একটি কোর্স শেষ করতে হবে। তিনদিন.সাত দিন পনোরো দিন এমনকি তার অধিক সময় পর্যন্ত মাঝ পথে ওষুধের এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করা যাবেনা। তাহলে শরিরে অন্য কোন ওষুধ কাজ করেনা তাই ভেবে মূলত : এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য। ব্যবহার করা হয়।মুলত এন্টিবায়োটিক হলো ব্যাকটেরিয়া নিজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারেনা বিধায় নিজেদের অঞ্চল থেকেই তাদের খাদ্য সংগ্রহ করার কারনে তারা একই অঞ্চলে থাকা অন্য ব্যাকটেরিয়া গুলোর সাথে প্রতিযোগীতা করে। এক ব্যাকটেরিয়া আরেক ব্যাকটেরিয়া কে মারার জন্য এন্টিবায়োটিক তৈরী করে। এই এন্টিবায়োটিক আমরা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করি।



