শিরোমণি বিসিকের একটি গোডাউনে দুর্র্ধর্ষ চুরি : নগদ ১৬ লক্ষ টাকাসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল লুট

চক্রটি গ্রেফতার না হওয়ায় চুরি বেড়েই চলেছে
খানজাহান আলী থানা/ ফুলবাড়ীগেট/ আটরা গিলাতলা প্রতিনিধি : নগরীর খানজাহান আলী থানাধিন শিরোমণি বিসিক শিল্পাঞ্চলের মেসার্স কাসেম জুট প্রডাক্টের গোডাউনে দুর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ চোর প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরা এবং গোডাউনের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে নগদ ১৬ লক্ষ টাকাসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। যাওয়ার সময় তারা সিসি ক্যামেরার হার্ডডিক্রা নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানা অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও বিসিকের হ্যামকো গ্রুপের ফেক্টরী, মা মেটাল, লিয়াকতের সমিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একই পদ্ধতিতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় পুলিশ চোরচক্রটিকে সনাক্ত করতে না পারায় এবং মালামাল উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়ায় শিরোমণি বিসিকের মধ্যে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। একের পর এক চুরি ঘটনায় বিসিক শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, শিরোমণি বিসিক শিল্পাঞ্চলের মেসার্স কাসেম জুট প্রডাক্টের গত ৯ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতের যে কোন সময় গোডাউনের তালা ভেঙ্গে মালামাল বিক্রয়ের নগদ ১৬ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা, ট্রান্সফর্মার ও মিটার ত্রিভেজ ভাঙ্গা ৬শ কেজি তামার বার (যার আনুমানিক মূল্য ৭ লক্ষ টাকা), ৪ বস্তা(৩শ কেজি) পিতল (যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকাসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী শেখ রেজাউল হক জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় ৯ ফেব্রুয়ারী গোডউনের কাজ শেষে বিকাল পৌনে ৫টায় তালা বন্ধ করি। পরবর্তিতে গোডাউনের সামনে সাব অফিসে রাত ৮টা পর্যন্ত হিসাব নিকাশের কাজ শেষে অফিস বন্ধ করে চলে যাই। পরের দিন ১০ ফেব্রুয়ারী সকাল ৮টায় গোডাউনে শ্রমিক ও ব্যবসায়িক পার্টনাররা গোডাউনে এসে দেখে তালা ভাঙ্গা। আমি এসে গোডাউনের মধ্যে প্রবেশ করে দেখতে পাই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন মালামাল বিক্রয়ের নগদ ১৬ লক্ষ ২৩ হাজার টাকাসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। তিনি জানায় চোরেরা প্রতিষ্ঠানে ঢোকার সময় সিসি ক্যামেরা গুলো ভেঙ্গে ফেলে এবং ভিতরে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ধারণ করা হার্ডডিস্ক নিয়ে গেছে। বিসিকের একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানাগেছে, এর আগে বিসিকের হ্যামকো গ্রুপের ফেক্টরী, মা মেটাল, লিয়াকতের সমিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একই পদ্ধতিতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় পুলিশ চোরচক্রকে সনাক্ত করতে না পারায় এবং মালামাল উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়ায় শিরোমণি বিসিকের মধ্যে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। একের পর এক চুরি ঘটনায় বিসিক শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়াও খানজাহান আলী থানাধিন শিরোমণি মধ্যপাড়া, শিরোমণি বাজার, সোনালী কেডিএ আবাসিক এলাকা, এ্যাযাক্রা জুট মিল কলোনীতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে বেল ৩ টার দিকে খানজাহান আলী খানার ওসি মমতাজুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।



