স্থানীয় সংবাদ

তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন : ৭ কার্য দিবসে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

খুমেক হাসপাতালের প্রসুতি বিভাগ থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রসুতি গাইনী বিভাগের লেবার ইউনিট-৪ এর শ্রেণীকক্ষ থেকে বিপুল পরিমান তিন প্রকার ইনজেকশন (ওষুধ) জব্দ করে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। ওষুধগুলো হচ্ছে ইনজেকশন সেফট্রিয়াক্সো দুই গ্রাম ১০০ পিস, ইনজেকশন ওমেপ্রাজল (১০০ মি:) ১১০ পিস এবং ইনজেকশন ন্যালেকসিন ১২০ পিস। এগুলো ফোম দিয়ে মোড়ানো থাকা অবস্থায় ছিলো। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে আছেন সহযোগি অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা: শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সদস্য সচিব হিসেবে সহকারি পরিচালক ডা: মো: নিয়াজ মুস্তাফি চৌধুরি এবং সদস্য হিসাবে আছেন নার্সিং সুপার ভাইজার রহিমা খানম। খুমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রসুতি গাইনী বিভাগের লেবার ইউনিট-৪ এর ক্লাশ রুম থেকে বিপুল পরিমান তিন প্রকার ইনজেকশন (ওষুধ) জব্দ করে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। ওষুধগুলো হচ্ছে ইনজেকশন সেফট্রিয়াক্সো দুই গ্রাম ১০০ পিস, ইনজেকশন ওমেপ্লাজল (১০০ মি:) ১১০ পিস এবং ইনজেকশন ন্যালেকসিন ১২০ পিস। হাসপাতাল কর্তৃৃপক্ষ ওষুধগুলো জব্দ করে ওই রুমে তালা মেরে দেন। তবে স্টোর রুম থেকে ওই ওষুধ পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে। গত রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ওষুধগুলো উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে খুমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: মো: হুসাইন শাফায়াত বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। এর আগেও ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ইমার্জেন্সী ওটি (অপারেশন থিয়েটার)তে মজুদ করা বিপুল পরিমান ওষুধ ও মালামালসহ আউট সোর্সিং কর্মচারি মোসাম্মাৎ মনিরা বেগমকে আটক হওয়া ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদনে ওষুধ চুরি প্রমানিত হওয়ায় আটক আউট সোর্সিং কর্মচারি মোসাম্মাৎ মনিরা বেগমকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওটি ইনচার্জে ক্লিনার পদে অপর দুই আউটসোর্সিং কর্মচারি জাহিদ ও মুকুলী বেগমকেও চাকরিচ্যুত করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলা করার কারণে ওটি ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স সেলিমা ইয়াসমিনকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। ওই সূত্র মতে, ওটি থেকে ওষুধ চুরি করা আউটসোর্সিং মনিরা বেগমের একার পক্ষে সম্ভব না। যেহেতু সে হাতেনাতে ওষুধসহ আটক হয়েছে বলেই বিষয়টি ধরা পড়ে। এর আগে ওটি থেকে বছরের পর বছর গরীব রোগীদের সরকারি ওষুধ বাইরে পাচার হয়ে আসছিলো।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button