রমজানে ফলের দাম বাড়তি শুনে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতা : কমেছে বেচা কেনা

শেখ ফেরদৌস রহমান : রমজানে আগের থেকে হঠাৎ করে ফলের দাম বেড়ে যায় ফলের দাম। এবার তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি। প্রতিবছর ফলের দাম বাড়তি হয়। তবে এবার ক্রেতারা ফলের দাম বাড়তি থাকায় দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন। অধিকাংশ গরীবের ঘরে ইফতারীতে নেই কোন ফলের আইটেম। আর কিছু মানুষেরা সামর্থ অনুযায়ী ফল ক্রয় করলেও তার পরিমাণ সামান্য। এমনটি জানিয়েছেন খুলনার ফল ব্যাবসায়িরা। এছাড়া ফলের দোকানে একজন ক্রেতা আসলেও অন্যান্য ফলের দোকানিরা ক্রেতাকে বিভিন্নভাবে তার দোকানে আসার জন্য আকৃষ্ট করছে। এ দিকে খুলনা বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায়। আগের বছরের তুলনায় বেশি দাম বেড়েছে খেজুরের। এবছর রমজানে খেজুরের আকার ভেদে কেজি প্রতি প্রায় ২শ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে । সর্ব নি¤œ বড়ই খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে পাঁচশত টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া মরিয়ম খেঁজুর ১হাজার টাকা প্রতি কেজি, ফিক খেজুর সাড়ে পাঁচশত টাকা, রাজু খেজুর ১২শ টাকা প্রতি কেজি, তবে সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মেটজুল খেজুর যার ১ কেজির দাম ১৭শ’ টাকা। পাশাপাশি আঙ্গুর সাদা ইন্ডিয়ান প্রতি কেজি ২৮০ টাকা প্রতি কেজি, বেদানা প্রাতি কেজি সাড়ে পাঁচশত টাকা, আপেল পুজি ২৮০ টাকা, কেচি ও আপেল হানিঢ ২৫০ টাকা প্রতি কেজি । এ দিকে মাল্টা প্রতি কেজি সাড়ে তিনশ টাকা প্রতি কেজি। তবে কমলার দাম একটু নাগালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফলের দোকানিরা প্রতি কেজি কমলা ইন্ডিয়ান ২২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তরমুজ কেজি ১শ টাকা, আনারস পিচ ৮০ টাকা থেকে আকার ভেদে ১শ টাকা। এমনকি ইফতারীতে লেবু মিশ্রণে সরবে তৈরি করা হয় সেসব লেবুর দাম ও বাড়তী। এবছর দেশী কাগজের লেবু হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা এর মানে প্রতি পিচ দেশীয় কাগজের লেবু ১৫ টাকা। এছাড়া এলাজ লেবুর দাম বেড়েছে এখন প্রতি পিচ আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা পর্যন্ত। এ বিষয়ে কথা হয় ক্রেতা মোঃ জিহাদ এর সাথে তিনি বলেন, এবছর আর গরীবের জন্য ইফতারিতে ফল খাওয়া অসাধ্যের মত। আমাদের মত নি¤œ আয়ের মানুষের পক্ষে । বিশেষ করে খেজুরের দাম এত বাড়তী কেন। আর দেখেন দেশীয় তৈরি তরমুজ তার কেজি ১শ টাকা।এবছর ইফতারীতে ফলের আইটেম নেই। একদিকে বৃদ্ধি সব ধরণের নিত্যপণ্যের বাজার অন্যদিকে রয়েছে আগের মত উপার্জন। আপনি দেখেন বর্তমান সময়ে আপনার ইচ্ছা থাকলেও পণ্য ক্রয় করতে পারেন না। বিশেষ করে রমজান মাসে অসাধু ব্যাবসায়িরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব। এ বিষয়ে কথা হয় খুলনা নিউ মার্কেট এলাকায় পুলিন ফলের দোকানির সাথে তিনি বলেন, আমরা এসব ফল খুলনা বড় বাজার হতে ক্রয় করে খুচরা বিক্রি করছি। ফলের দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতা ও কমেছে। অনেকে দোকানে আসে আবার দাম শুনে চলে যায়। গেল বছরেও রমজানে প্রায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিক্রি ছিল। এবছর প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি হয় না। দেখেন কোন ক্রেতা এতগুলো ফলের দোকানে।


