স্থানীয় সংবাদ

যশোর শহরের দু’টি আবাসিক হোটেলের মূল ব্যবসা পতিতা বৃত্তি : পুলিশ নীরব

যশোর ব্যুরো ঃ কোতয়ালি থানা ও সদর পুলিশ ফাঁড়ীর কতিপয় কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিতে যশোর শহরের বড় বাজার এলাকায় দুই আবাসিক হোটেল এখন যৌনকর্মী রেখে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাক ডাকা ভোর থেকে দুুপুর পর্যন্ত এখানে কাজের মেয়ের অজুহাতে হোটেল মালিকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় কর্মরত ম্যানেজার অনৈতিক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে এই দুই আবাসিক হোটেল আশপাশের ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা অবিলম্বে অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধে যশোরের পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বড় বাজার সূত্রে জানাগেছে,শহরের ঝালাইপট্টি সংলগ্ন আবাসিক হোটেল নীরব ও বাবু বাজার সংলগ্ন আবাসিক হোটেল পলাশ। নীরবে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন,কাঠেরপুলেল অদূরে শহরের লোন অফিস পাড়ার বাসিন্দা বাবু ও রেজাউল ইসলাম। বাবু হোটেল মালিক খোকনের ব্যবসায়ীক পাটনার দাবি করে হোটেলে দেখভাল করে করেন। বাবু বাজার এলাকায় গড়ে ওঠা পলাশের ম্যানেজারের ভূমিকায় রয়েছে হেদায়েত নামে এক ব্যক্তি। হেদায়েত মূলত আবাসিক হোটেল পলাশের দায়িত্ব পালন করেন যৌনকর্মী দিয়ে খরিদ্দার আনা। খুব ভোরে পলাশ ও নীরবে ২৫ থেকে ৩০ বছরের যুবতী ও নারী উঠে। আবাসিক হোটেলে উঠার পর তাদেরকে হোটেলের কয়েকটি কক্ষে বাইরে থেকে তালা মেরে রাখা হয়। আবার কয়েকজনকে হোটেলের কক্ষে ঢুকিয়ে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখা হয়। এরপর সকাল থেকে শুরু হয় খরিদ্দার ধরা। সকাল থেকে খরিদ্দার নীরব ও পলাশ আবাসিক হোটেলে অবাধে যাতায়াত করেন। হোটেলে খরিদ্দার ঢোকারপর পলাশের ম্যানেজার হেদায়েত ও রেজাউল ইসলাম হোটেল বয় দিয়ে আবার নিজে খরিদ্দার নিয়ে সোজা যৌন কর্মী আটকে রাখা দরজার বাইরে থেকে তালা খুলে খরিদ্দারকে কক্ষে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। খরিদ্দার হোটেল কক্ষে ঢোকার পূর্বে ব্যবসার লেনদেন সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান,মূলত নীরব ও পলাশ আবাসিক হোটেলের ব্যবসা যৌনকর্মী রেখে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করা। সূত্রগুলো বলেছেন,কোতয়ালি থানা ও সদর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কতিপয় কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিতে আবাসিক হোটেলে পরিছন্নকর্মীর অজুহাতে যৌন ব্যবসা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে। আর এ ধরনের কর্মকান্ডে স্কুল ও কলেজ পড়–য়া ছাত্র এবং নারী আসক্ত পুরুষেরা এসব আবাসিক হোটেলে অবাধে যাতায়াত করে দিন দিন অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই এ অবস্থা থেকে উপায়ন্তর থেকে রক্ষা পেতে বাজারের ব্যবসায়ীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button