মোংলায় টর্নেডোতে উড়ে গেছে ঘর গাছপালা সহ বৈদ্যুতিক খুঁটি

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ মৌসুম শুরু হলেও প্রায় মাস ব্যাপি বৃষ্টির দেখা নাই মোংলা উপকুলীয় অঞ্চলে। জ্যৈষ্ঠের পরে শুরু হয় আষাঢ কিন্ত প্রচন্ড রোধ আবার তীব্র তাপদাহ, অবশেষে এক পশলা বৃষ্টি নামায় মোংলাবাসীর একটু হলেও স্বস্তি ফিরে পেয়েছে। তবে এলাকার বড় ধরণের ক্ষতি না হলেও বাতাসের তিব্রতায় বেশ কয়েকটি কাচাঁ ঘর ও বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১৯ জুন) দুপুরের পর থেকেই হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে উঠে, শুরু হয় বিদ্যুৎ চমকানো। বেশ কিছুক্ষন পরই দেখা দেয় মুষলধারে বৃষ্টি। কাঠফাঁটা রোদ্র আর গরমে অতিষ্ঠ মোংলাবাসী যখন বৃষ্টির দিকে চাতকের মত পথচেয়ে ছিলো ঠিক তখনই এক পশলা বৃষ্টি এলো আকাশ জুড়ে। চলমান বৃষ্টির মধ্যে বাতাসের প্রচন্ডতাও ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো।
এদিন দুপুরের দিকে বাতাসে শহরতলীর মাকড়ঢোন এলাকার হাজিপাড়ার রাজ্জাক খানের বসতঘরটি উড়ে যায়। পুরো ঘরটি উড়ে গিয়ে পাশের মুজিবরের বাড়ির পাশে গিয়ে পড়ে। এতে ঘরের সব মালামাল তছনছসহ বৃষ্টিতে ভিজে বেশ ক্ষতি হয়। পরিবারটি এখন খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া বৈদ্যতিক খুটি উপড়ে পরারও খবর পাওয়া গেছে।
বাতাস ও বৃষ্টির স্থায়িত্ব ছিল প্রায় দেড় ঘন্টা। তবুও ক’দিনের তীব্র তাপদাহের পর স্বস্তি আসে এই কয়েক মূহুর্তের বৃষ্টিতে। অবশেষে বৃষ্টি থেমে গেলেও এ অঞ্চল জুড়ে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলায় জনজীবনে একটুখানি ভোগান্তি কমেছে। তবে আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন। হঠাৎ এ বৃষ্টিতে বন্দরে অবস্থানরত দেশ-বিদেশী বানিজিক জাহাজের পন্য খালাস-বোঝাইয়ে কোন ব্যাঘাত হয়নি বলে জানায় বন্দরের হারবার বিভাগ। এছাড়া শুরু হওয়া এ বৃষ্টি আরো দু’একদিন থাকতে পারে বলে জানায় মোংলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হারুন আর রশিদ।



