বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে আসতে অতিক্রম করতে হয়েছে হাজারো প্রতিবন্ধকতা : সেখ জুয়েল এমপি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল বলেছেন, ক্ষুদ্র আয়তনের একটি উন্নয়নশীল দেশ হয়েও বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের নিকট প্রাকৃতিক দুর্যোগের নিবিড় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, দারিদ্র দূরীকরণে তার ভূমিকা, জনবহুল দেশে নির্বাচন পরিচালনায় স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুতা আনয়ণ, বৃক্ষরোপণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন প্রভৃতি ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া এই বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে আসতে অতিক্রম করতে হয়েছে হাজারো প্রতিবন্ধকতা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত, প্রায় সর্বক্ষেত্রে অবকাঠামোবিহীন সেদিনের সেই সদ্যজাত জাতির ৫৩ বছরের অর্জনের পরিসংখ্যানও নিতান্ত অপ্রতুল নয়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে শিক্ষা, শিশু মৃত্যুহার কমানো এবং দারিদ্র হ্রাসকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বকে চমকে দেবার মতো সাফল্য আছে বাংলাদেশের। বিশেষত শিক্ষা সুবিধা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার ও জন্মহার কমানো, গরিব মানুষের জন্য শৌচাগার ও স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান এবং শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম অন্যতম। খুলনা জেলার ১১৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা ও সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ৪৬ লাখ ৪৫ হাজার হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে যাতে করে শ্রমিক হয়েও তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে কোন বাধা না আসে। গতকাল রোববার বেলা ১২টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে গ্রামিন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ(টিআর) কর্মসূচির আওতায় (৪র্থ পর্যায়ে) নির্বাচনী এলাকা খুলনা-২ এর সংসদ সদস্য কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের অনুকুলে বরাদ্ধকৃত অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে ও পরবর্তীতে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উদ্যোগে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা ও সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে বরাদ্দকৃত আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ দুপুরে শ্রম দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা জেলা প্রশাসক মো. ইয়াসির আরেফিনের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট ক্রীড়া ভাষ্যকার ড. সাঈদুর রহমানের পরিচালনায়, এ সকল অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হুসেইন খান, খুলনা মহানগর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা যুবলীগের সভাপতি ও খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এমএ নাসিম, খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ, যুবলীগ নেতা মো. তরিকুল ইসলাম সুমন, মো. মাছুম-উর রশীদ, মো. আমিরুল ইসলাম বাবু, ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান সুজন, মাহমুদুর রহমান রাজেশ, রাহুল শারিয়ার, এস এম সাদিক মামুন, আমিনুল ইসলাম শাওন, মো. ইমরান হোসেন, নাঈম ফরহান ও মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ শ্রম দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও রাজনৈতিক বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


