রাজাপুরে বসতবাড়ী ভাঙ্গচুর, হামলা, লুটপাট প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ রাজাপুরে বসবাড়ী ভাঙ্গচুর, হামলা, লুটপাট ও বাসায় অবস্থানরত নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে রাজাপুর বারোপূর্ণের মোড় এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী হেলেনা বেগম জানান, আমি চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করি। খুলনায় নতুন বাড়ী নির্মাণের জন্য রূপসা মৈশাগুনী এলাকার শেখ সামসুর রহমানের ছেলে পলাশ(৩৪), শেখ ইব্রাহিমের ছেলে শেখ সামসুর রহমান(৫৮), শেখ সামসুর রহমানের ছেলে মোঃ রানা (২৯) এদের সাথে জয় বাংলা মাঠের পাশে আমার নতুন বাড়ী নির্মাণ কাজের চুক্তি হয়। চুক্তি মোতাবেক উপরোক্ত ব্যক্তিগণ বাড়ীর নির্মাণ কাজ শুরু করে। সম্প্রতি চুক্তি মোতাবেক নির্মাণ কাজ না হওয়ায় উপরোক্ত ব্যক্তিগণের সহিত আমাদের মতবিরোধ সৃষ্টি হয় এবং মতবিরোধকে কেন্দ্র করিয়া গত ২১ আগস্ট বুধবার রাত ১০টায় উপরোক্ত ব্যক্তিগণের মদদে অজ্ঞাত ৩০-৪০ জন মিলিয়া লাঠিসোঠা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজাপুর বাজারস্থ প্রফুল্ল ডাক্তারের দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর আমাকে নতুন বাড়ী দেনা পাওনার উদ্দেশ্যে মোবাইলে কল দিয়ে ডেকে আনে। পরবর্তীতে আমি ও আমার ছেলে আব্দুল মালেক ও আমার ভাই মোঃ খাইরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌছাইলে উপরোক্ত ব্যক্তিগণের সাথে এক দুই কথায় আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য গালিগালাজ করে অজ্ঞাত ৩০-৪০ জন মিলিয়া লাঠিঘোঠা, লোহার রড ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা ও বেধড়ক মারধোর করিয়া নিলাফোলা ও রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত সময় তারা আমার নির্মাণাধীন বাড়ি ভাঙ্গিয়া আনুমানিক ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে। পরবর্তীতে উপরোক্ত ব্যক্তিগণ বারোপূর্ণের মোড়ে হাজির হইয়া বাসার ভিতর ভাঙ্গচুর করে নগদ ৬ লক্ষ টাকা, স্বর্ণালংকার আট ভরি যার বর্তমান বাজার মূল্য ১০ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র/ফার্ণিচার ভাঙ্গচুর ও অন্যান্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে। ঐ সময় বাসায় অবস্থানরত নারী সদস্য আমার পুত্রবধু ও আমার মেয়ে উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ করলে মারমুখি আচরণ ও শ্লীলতাহানী করে। বর্তমানে আমি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি। আমার ছেলে ও আমার ভাই উক্ত হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করিয়াছে। উপরোক্ত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করিতেছে। এ বিষয়ে আমার ছেলে রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করিয়াছে।


