সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুলের অবৈধ প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন আহম্মেদের নামে দুনীর্তির অভিযোগ এনে রবিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুল থেকে খুলনা শহরে বের হওয়া মিছিল শেষে এই বিক্ষোভ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিনের নামে দুর্নীতির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। সেগুলো হচ্ছে, সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুলের দুর্নীর্তির দ্বায়ে ২০১৭ সালে দুদকের একটি মামলায় প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন আহম্মেদ বরখাস্ত হয়। দুনীর্তির দ্বায়ে বরখাস্ত হয়ে খুলনার প্রভাবশালী শেখ বাড়ীর নিয়ন্ত্রনে অবৈধ ভাবে জোর পূর্বক ২০১৮ সালে প্রধান শিক্ষকের দ্বায়ীত্বনেন মহিউদ্দিন আহমেদ। সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুলের জমিদাতা, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির স্ত্রী বর্তমান কার্যকারী পরিষদের দাতা সদস্য ও মেয়ে বর্তমান কার্যকারী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এর সাথে অসম্মান জনক আচরন করা। বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র/ছাত্রীদের আন্দোলনে যেতে না দেয়া। বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনে গেলে টি.সি দেয়ার হুমকি প্রদান করা। শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সাথে অশোভন আচরন করা। স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগের পর জোন পূর্বক তাদের কাজ থেকে অর্থ নেয়া। স্কুলের ভবন নির্মানের সময় ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নেয়া। স্কুল পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনে নমিনেষন কেনায় বাধ্য প্রদান করা। এক পিকাপ ভ্যানে স্কুলের সরকারি বই (যাহা বিক্রয় করা নিষেধ) সরকার প্রদত্ত টিন ও খাতা স্কুল পরিচালনা পরিষদের কাউ কে না জানিয়ে বিক্রয় করা। স্কুলের স্কাউট ফান্ড ক্যলান ফান্ড ও দরিদ্র তহবিলের অর্থ অর্থশাদ করা। ১১. এস.এস.সি পরিক্ষার্থিদের কাছ থেকে জোর পূর্বক কোচিং বানিজ্য। স্কুলের শিক্ষক জনাব মামুনের বিবাহর দাওয়াতের জন্য সকল শিক্ষকদের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা চাঁদা তোলে প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন আহমেদ। ২০২০ সালে করনার কারনে উক্ত বিবাহ অনুষ্ঠানটি বাতিল হয়। কিন্তু শিক্ষকদের আদায়কৃত ১৪ হাজার টাকা ফেরত না দিয়ে অবৈধ প্রধান শিক্ষক টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৪ সালে সিনিয়র শিক্ষক লুৎফর রহমানের বিদায়ী অনুষ্ঠানের নামে অবৈধ প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন সকল শিক্ষকদের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা চাঁদা তোলেন। বিদায়ী অনুষ্ঠানটি না করে উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেন। সকল শিক্ষকরা এই চাঁদার টাকা ফেরত পাবার জন্য বার বার আবেদন করে যাচ্ছেন। দুর্নিতীগ্রস্থ স্কুলের প্রতিবেদন করতে আসা প্রবাহের সাংবাদিকের সাথে অসম্মান জনক আচরন ও আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম দিয়ে হুমকি প্রদান করা। দেশের বাইরে বিভিন্ন নারীদের সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে ছবি তুলে ভাইরাল হন প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিন আহম্মেদ।


