খালিশপুর কলেজিয়েট গালর্স স্কুলে ফ্যাসিস্ট অধ্যক্ষকে পূর্ণবাসন করতে বহিরাগতদের হানা

# ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশী হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত #
স্টাফ রিপোর্টারঃ কেসিসি পরিচালিত খালিশপুর কলেজিয়েট গালর্স স্কুলে ফ্যাসিস্ট ও দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ তাসরিনা বেগমকে প্রতিষ্ঠা করতে বহিরাগতরা প্রতিষ্ঠানে চড়াও হয়। বুধবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে থানা পুলিশ ও কেসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্না ঘটনাস্থলে পৌছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, ছাত্রীদের সাথে মত বিনিময় করেন। অস্টম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী হিয়ার মা নাজনীন আক্তার রিপা জানান, ফ্যাসিস্ট অধ্যক্ষ তার অপরাধ ঢাকতে দলবাজি করে চলেছেন। এতে করে স্কুলের শিক্ষার মান নিচে নেমে গেছে। স্কুলের এত সুন্দর পরিবেশ আশেপাশে আর কোথাও নেই। অথচ দলাদলির কারণে স্কুলে এখনও স্পোর্টস, পিকনিক, ক্লাস বিভাজন, ক্লাস কিছুই হয়নি। কবে হবে তাও অনিশ্চিত। তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে ফেরৎ আনতে একটি চক্র বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে চড়াও হয়। তারা আল আমিনসহ অন্যান্য শিক্ষকদের খারাপ আচরণ করে। পরে পুলিশ ও কেসিসির ম্যাজিস্ট্রেট আসলে তারা নরম হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট সকলের বক্তব্য লিখে নেয়। তবে তারা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছেন, ওই অযোগ্য অধ্যক্ষকে আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। তিনি ক্যাম্পাসে ফিরে এলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এতে প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রীদের ক্ষতি হবে। এসব দিক বিবেচনা করে ওই দলবাজ অধ্যক্ষকে আর প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসুক এটা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মচারিরা চায় না। অবিলম্বে এই স্কুল থেকে তাকে অপসারনের দাবি জানান তিনিসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক আল আমিন জানান, বহিরাগতরা তার সাথে মারমুখী আচরণ করেছেন। এ জন্য অন্যান্য শিক্ষকরা দলবাজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দিতে ভয় পাচ্ছে। বিষয়টি তিনি কেসিসির সচিবকে জানালে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠান। তিনি সব পক্ষ থেকে স্বাক্ষী নেন। তবে সবাই বলেছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেয়া হবে না।



