দৌলতপুরের ইট বালু ব্যবসায়ীকে গুলির ঘটনায় ২ আসামীকে এক দিনের রিমান্ড

স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর দৌলতপুর কবির বটতলা ইট বালু ব্যবসায়ী নাসিম আহমেদ মোল্লাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনায় জিজ্ঞসা বাদের জন্য পুলিশ দুই আসামিকে ১ দিনের রিমান্ড। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোতাহার আলী জানান, ২০২৪ সালের ১৫ ই আগস্ট পাবলা এলাকার কবির বটতলা ইট বালু ব্যবসায়ী এস এম নাসিম আহমেদ মোল্লাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায় দৌলতপুর দেয়ানা মোল্লাপাড়া এলাকার মোঃ জামাল শেখের পুত্র শেখ শাহারিয়া ইসলাম পাপ্পু (২৭) ও দৌলতপুর থানাধীন পাবলা কারিকরপাড়া এলাকার হায়দার সরদার ওদুদ এর পুত্র গোলাম রসূল। এদেরকে গ্রেফতার করতে দৌলতপুর থানা পুলিশ ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েও ধরতে পারা যায়নি। দৌলতপুর ৪নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু হত্যায় জড়িত থাকার দায় ১৪ জানুয়ারি-২০২৫ কক্সবাজার থানা পুলিশ তাদেরকে আটক করে। ১৫ জানুয়ারি কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়।এরপর দৌলতপুর থানা পুলিশ তাদের বিষয়ে আদালতে অভিযোগ দায়ের করলে তাদেরকে ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনায় নিয়ে আসা হয় । এরপর আসামি শেখ শাহরিয়া ইসলাম পাপ্পু ও গোলাম রসুলকে ২০ফেব্রুয়ারি ৫ দিনের রিমান্ড চায় দৌলতপুর থানা পুলিশ।২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে শুনানি শেষে তাদের ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর কওে আদালত। বৃহস্পতিবার দৌলতপুর থানায় এনে জিজ্ঞাসা বাদ শেষে শুক্রবার বিকাল ৩ টায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামী দ্বয় ঘটনার সাথে জড়িত বলে সততা স্বীকার করেছে এবং কিছু তথ্য দিয়েছে। তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। মামলার বাদী জানান,আমার ছেলেকে হত্যা করার জন্য গুলি করেছে আসমীরা। ঢাকার ১টি প্রাইভেট হাসপাতালে দীর্ঘ ২ মাস চিকিৎসা শেষে আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে ্প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমার ছেলেকে গুলির করার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানাই আইন শৃংখলা বাহির কাছে। উল্লেখ্য,দৌলতপুর কবির বটতলা ইট বালু ব্যবসায়ী নাসিম আহম্মেদ মোল্ম কে দুর্বৃত্তরা গুলিবিদ্ধ করার ঘটনায় এস এম নাসিম আহম্মেদ এর পিতা নুর ইসলাম মোল্লা বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর-২৪ দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৭। তারিখ-১২-৯-২৪। দৌলতপুর নতুন রাস্তা কবির বটতলা ইটবালুর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নাসিম আহম্মেদ মোল্লা বসে ছিলেন। ১৫ আগষ্ট-২৪ রাত সাড়ে ৮টায় দুর্বৃত্তরা এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি তার বাম হাতের বাহুতে লাগে। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সিটি মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন।



