স্থানীয় সংবাদ

নিখোঁজের ৭দিন পর ভৈরব নদী থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

# প্রেমিকার সাথে দেখা করতে আসে খুলনায় : পরিবার #

স্টাফ রিপোর্টার : নিখোঁজের ৭ দিন পর ভৈরব নদী থেকে শিক্ষার্থী তাজকির আহমদ নামে একজন শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে খানজাহান আলী থানা পুলিশ । গতকাল বিকাল ৩টা নগরীর খানজাহান আলী থানার গিলাতলা বালুর ঘাট বস্তা বন্দী লাশ পাওয়া গেছে । স্থানিয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খানজাহান আলী থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ এর যৌথ উদ্যোগ বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। খালিশপুর গোয়ালখালি এলাকার বাসিন্দা আসিফ মাহমুদ জানান বস্তাবন্দি লাশটি তার মামাতো ভাই নাম তাজকির (২৩ ) বলে নিশ্চিত করেছে। তার গ্রামের বাড়ি নড়াইল লোহাগাড়ার নৌখোলা ঝাউডাঙ্গা গ্রামে পিতার নাম মোঃ মুরাদ। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে খুলনায় আসে প্রেমিকা সীমার সাথে দেখা করতে খুলনার উদ্দ্যেশে আসার পর আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এদিকে গেল ৫দিন যাবৎ ছেলের সন্ধান না পেয়ে নিহত শিক্ষার্থী তাজকিরের পিতা মোঃ মুরাদ হোসেন খালিশপুর থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন যার মামলা নং -২২। তিনি মামলার এজহারে উল্ল্যেখ করেন একলাছুর রহমান রনি মূলত সুমাইয়া আক্তার শিমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় আমার ছেলের সাথে। এই মেয়ের আগে বিয়া ছিল সেটাও গোপন রাখে। আমার ছেলে এই ফাঁদে পা দিয়ে অনুমানিক দেড় বছরের প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন আগে আমি এই বিষয়ে জানতে পেরে আমার ছেলেকে এই সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসতে বলি। এরই মধ্যে এর মধ্যে ইসমাইল অভি নামে এক বখাটে সন্ত্রাসী তার সাবেক স্ত্রী সুরাইয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে। আমার ছেলে ঢাকাতে থাকায় সুমাইয়া তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক বজায় রাখে। কিছুদিন ইসমাইল হোসেন অভি তার সাবেক সীমার সীমা এর সকল কুকর্ম জানতে পেরে তার সাথে আমার ছেলেকে নিয়ে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়। আমার ছেলেকে বিভিন্ন মাধ্যমে জানাবিধ হুমকী দেয়। গত ২১ শে ফেব্রুয়ারী ৩টার দিকে আমার ছেলে তার মামতো ভাইয়ে স্ত্রীকে মাসেঞ্জারে জানায় যে সে খুলনাতে আসছে এবং সে তখন বাগেরহাটে গাড়িতে আছে বলে জানায়। এক এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে সেখানে তার ভাবী শারমিনকে জানায় যে সুরাইয়া তাকে জরুরী দেখা করার জন্য খালিশপুর থানাধীন বিআইডিসি রোডস্থ নিউজি প্রিন্ট গেট এর বিপরিত পাশে গ্রামনে যাচ্ছে বলে তার মামাতো ভাই আসিফ মাহমুদকে অবগত করেন। এরপর থেকে তার আর কোন খোজ পাওয়া না যাওয়াতে প্রথমে খালিশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় যার ডায়রী নং ১৯।এরপর ও তাকে না পাওয়াতে থানায় মামলা করার পর পুলিশ তিনজনকে আটক করে যার মধ্যে প্রেমিকা সুরাই আছে।এ দিকে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্য মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা অপহলন মামলায় ৩ জনকে আটক করেিেছ। এদিকে খানজাহান ।অরী থানা পুলিশ ভৈর নদী হতে একটি বস্তা বন্দী মরদেগ উদ্ধার করেছে আমি এখনও নিশ্চিত না যে এটি তিাজকিরের মরদেহ যেহেতু নৌ পুলিশ সহ আমাদের উর্দ্ধতণ কর্মকর্তা সহ পুলিশের বিভিন্ন টিম কাজ করছে। এ দিকে কেএমপি’র এডিসি (উওর) নাজমুল হাসান রাজিব ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন ও লাশ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button