দৌলতপুরে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দৌলতপুর থানা বিএনপির অর্ন্তগত ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও দৌলতপুর দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীনের উপর দৌলতপুর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, একাধীক মামলার আসামী মমিসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে বিক্ষোভ মিছিল ও মিছিল পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, সা: সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সরদার লিয়াকত হোসেন লাভলু, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. খবির উদ্দিন, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাঃ সম্পাদক খন্দকার ইকবাল হোসেন, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাঃ সম্পাদক শেখ আনছার আলী, ৪ নং ওয়ার্ড সাঃ সম্পাদক মো. আরমান শেখ, আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাঃ সম্পাদক মো. রাসেলুজ্জামান রাসেল, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সেলিম আহসান, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো.শওকত হোসেন, মিজানুর রহমান মিজান, জামাল উদ্দিন বাবলু, মাসুদ রানা ডাব্লিউ, যুবদল নেতা সোহেল মোল্লা, এম এম জসিম, সেচ্ছাসেবক দল নেতা মহিদুল ইসলাম, আলামিন সরদার রতন, মো. ইসমাইল, হাদিসুর রহমান রোমান, রফিকুল ইসলাম, শেখর কুমার, মতিয়ার রহমান মতি, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মিলন, প্রশান্ত কুমার সাহা, থানা মহিলা দল নেত্রী সালমা বেগম, মদিনা হাওলাদার, বিএল কলেজ ছাত্রদল নেতা খালিদ বিন ওয়ালিদ (শোভন), মেহেদী হাসান, ফরহাদ হোসেনসহ বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিভোক্ষ মিছিলটি পাবলা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে নতুন রাস্তার মোড় চত্বরে গিয়ে চত্বরে গিয়ে মিছিল পরবর্তী সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তরা বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে পড়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা পাবলা এলাকায় এখনো ঘাপটি মেরে পড়ে আছে। ওই দোসররা ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির উপর হামলা চালিয়েছে। ওইসব সন্ত্রাসীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, নইলে দৌলতপুর থানা বিএনপি আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।



