রমজানে ডাবের চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও দাম ঊর্দ্ধমুখি

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ পবিত্র মাহে রমজানে ইফতারে সময়ে ডাবের পানি দিয়ে ইফতার করার সময় তৃষ্ণা মেটাতে ডাবের পানির তুলনা হয়না। তবে এই রমজানে ডাবের চাহিদা তুঙ্গে থাকায় দাম হাকাচ্ছে অতিরিক্ত এমনটি অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা। এমনকি অভিযোগ আছে এই ডাব মুল মালিকের কাছ থেকে ৫০ টাকা প্রতি ক্রয় করে এই ডাব এর দাম নিচ্ছে আকার ভেদে ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত। এমন কি একটু বড় সাইজের ডাব হলে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম হাকাচ্ছে। খুলনা শহরে অলিগলিতে বিভিন্ন মোড়ে এই ডাব বিক্রি । এ বিষয়ে অভিযোগ করে ক্রেতা মোঃ আলামিন হোসে তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই অসুস্থ্য তাকে রক্ত দিতে এসছিল একজন । রক্ত দেয়া শেষ হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে হতে একটি ডাব খাওয়াতে নিয়ে যাই। তবে দোকানে সামান্য একটি ছোট ডাবের দাম দাবি করছে ১২০ টাকা আর বড় সাইজের দাম ১৬০ টাকা। তবে ডাব নেয়ার পর মাঝারি সাইজের একটি ডাব দাম নিল আমার কাছ ১৫০ টাকা। বিক্রেতার দাবি আমরা গাছ অনুযায়ী ডাব ক্রয় করি। তারপর সেই ডাব ভালোভাবে কেটে যানবাহণসহ অন্যান্য খরচ বেশি পড়ে। আমাদের একটি ডাবে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকার বেশি মুনাফা হয়না। রমজানে একটু বেশি ডাবের চাহিদা থাকে যে কারণে সরবরাহ কমে যায়। এছাড়াও বলতে পারেন আগের মত নারকেল গাছের ফলন দেখা যায়না। নারকেল এর ফলন কমে গেছে। পাশাপাশি এসব ডাব ঢাকায় চলে যাচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় সচেতন নাগরিক মোঃ সোলে উদ্দিনের সাথে তিনি বলেন, ভাই মোড়ে মোড়ে ডাব বিক্রি করতে দেখা গেলেও এত দাম কেন নেয়া হচ্ছে এর জন্য এটি মনিটরিং করা প্রয়োজন। গেল কয়েক সপ্তাহে বিশেষ করে রমজানে মধ্যে। এই প্রশ্নের কোন উত্তর নেই। মুলতঃ ডাবের পানিতে রয়েছে অতিমাত্রায় রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা হজম শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটানি এ,ও সি পাশাপাশি এই পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ম্যগনেশিয়াম ও পটশিয়াম পাশাপাশি শরীরে রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা যা ত্বক ভালো রাখা চোখের নিচে কালো দাগ দুর করে। তবে দাম বেশি মনে হচ্ছে বর্তমান সময়ে। এ বিষয়ে খুলনা জাতীয় ভোক্তা অধিকারে খুলনা বিভাগীয় উপঃ পরিচালক মোঃ সেলিম বলেন, ডাবের দাম বেশি নেয়া হয় এ বিষয়ে আমি অবগত আছি। তবে এই বিষয়ে একটু মনিটরিং শুরু করছি। এর মুল সিন্ডিকেট কোথায় দ্রুত একটা ব্যবস্থা নিব।


