স্থানীয় সংবাদ

যশোরে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ সাজবে নানা আয়োজনে

# জামাতের জন্য প্রস্তুুত করা হচ্ছে জেলার প্রায় কয়েক হাজার ঈদগাহ ময়দান #

মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে ঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঈদগাহ সাজবে নানা আয়োজনে। ইতিমধ্যে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রস্তুত করার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। গত ১০ দিন যাবত যশোরের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সাজানো গোছানোর কাজ পরিলক্ষিত হচ্ছে।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগন ঈদের জামাত আদায়ে যাতে রোদে পুড়ে অসুস্থ্য না হয় তার জন্য বিশাল উচ্চুতায় বাঁশ বেধে সামিয়ানা দিয়ে গোটা ঈদগাহ ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। যশোরে প্রধান ঈদের জামাত যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য ইতিমধ্যে কমিটি করে দেয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত ঈদগাহে যারা প্রস্তুুতের কাজ করছেন তাদেরকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। জাতীয় চাঁদ দেখার কমিটির উপর নির্ভর করবে আগামীকাল সোমবার ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর নইলে ১ এপ্রিল মঙ্গলবার। জাতীয় ঈদগাহ সাজানোর সাথে যশোর জেলার ৮ উপজেলায় কমপক্ষে কয়েক হাজার ঈদগাহ প্রস্তুুতের জন্য সাজানো গোছানোর কাজ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এবার প্রধান ঈদগাহে জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। সকাল ৮ টায় প্রধান ঈদের জামাত যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ঈদগাহে কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ। জেলা ইমাম পরিষদ সূত্রে জানাগেছে,যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ছাড়াও শহরের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় এবং সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক স্থানে ও জেলায় ৯১টি ইউনিয়নে কয়েক হাজার স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের জামাত প্রস্তুতের জন্য ঈদগাহ বছরে দু’বার ধোয়া,মুছা ও রং লাগানো হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ঈদের জামাতের জন্য চুন দিয়ে মুসল্লিদের সারিবদ্ধ দাঁড়ানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ঈদের জামাতে প্রবেশ মুখে বিভিন্ন সাজে সাজানো হচ্ছে তোরণ। যে তোরণের মধ্যে দিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগন। যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে এ বছর প্রধান জামাত যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হলেও এরপর আর জামাত হবে কিনা এ ব্যাপারে এ প্রতিবেদক জেলা প্রশাসক ও এডিসি জেনারেল মহোদয়ের সরকারি নাম্বারে কয়েকবার ফোন করলেও তারা কেউ রিসিভ না করায় জানা সম্ভব হয়নি। তবে এবার ঈদগাহ প্রস্তুত করতে কি পরিমান অর্থ ব্যয় ধরা হচ্ছে সে ব্যাপারে কোন কিছু জানা যায়নি। এছাড়াও যশোর জেলায় মোট কতগুলি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ঈদের জামাতে যাতে কোন নিরাপত্তা বিঘিœত না ঘটে তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যশোরে নবাগত পুলিশ সুপার রওনক জাহান সম্প্রতি যশোরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় বলেছেন,যশোরে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি যোগদান করে তার পরিচয় হবে যশোরের একজন বাসিন্দা এটা তিনি গর্ভের সাথে বলেন। যশোরে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে তার জন্য পুলিশের বহুটিম মাঠে। গোটা যশোর নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা হয়েছে। ঈদের বাজারে পুলিশের টহল ও নিরাপত্তার সাথে উপস্থিতি শতভাগ করা হয়েছে। কোন পুলিশ ঘরে থাকবে না। মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের। ঈদের বাজারে যাতে কোন সহিংসতার ঘটনা না ঘটে তার জন্য পুলিশ টহল অব্যাহত রাখবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button