স্থানীয় সংবাদ

রূপসায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের কোপে ৩জন আহত

রূপসা প্রতিনিধি : রূপসায় বাথরুমের বদনী ব্যবহারকে কেন্দ্র করে মামির সাথে বিবাদ অতঃপর মামার গাছ কাটা দায়র কোপে প্রতিবন্ধী ভাগ্নে, কিশোরী ভাগ্নি ও ভগ্নিপতি জখম। ঘটনাটি ঘটেছে রুপসা উপজেলার ৩ নং নৈহাটি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। ভুক্তবাদী সূত্রে জানা যায়, কালাম সরদার ও শাহিনা বেগমের স্কুল পড়ুয়া মেয় রাখি খাতুন (১৩ ) মৃত নানীর ব্যবহৃত বদলি নিয় বাথরুমে গেলে মামি (মামার স্ত্রী) মরিয়ম বেগমের সঙ্গে বদনা ব্যবহার করা নিয় তর্ক- বিতর্ক হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মরিয়ম বেগমের স্বামী আবদুল্লাহ শেখ ভগ্নিপতি কালাম সরদার (রাখির পিতা) এর উপর চড়াও হয় দাউ ও লাঠি-সুটা দিয় আঘাত করতে থাকে। একপর্যায় কালাম সর্দারের বাম হাত ভেঙে যায়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে রাখির প্রতিবন্ধী ভাই তুরান সরদার (২৩) বাইরে এসে মামা আব্দুল্লাহ শেখ এর কাছে পিতাকে মারার কারণ জিজ্ঞেস করলে তাকেও গাছ কাটা দায়র কোপে মারাত্মকভাবে জখম করে। উপস্থিত পাড়া প্রতিবেশী তুরান সরদার ও তার পিতা কালাম সরদারকে মুমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে সদর হাসপাতালে নিয় গেলে সেখান থেকে তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। তুরান সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা বিষয়টি অবগত হয় তাদেরকে আগে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মোঃ কালাম সরদার (৪৮), পিতা- মৃতঃ জব্বার সরদার রূপসা থানায় হাজির হয় বিবাদী ১। মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ( খোকন) (৬০), পিতা-মৃতঃ আবুল হোসেন, ২। মোঃ মহিউদ্দিন গেরু (২৫), পিতা- মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ( খোকন), ৩। মরিয়ম বেগম (৪২), স্বামী- মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ (খোকন), ৪। মোঃ আইয়ুব খান (৫২), পিতা- মৃতঃ আবুল হোসেন, সর্ব সাং- রামনগর, থানা-রূপসা, জেলা-খুলনা সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে এজাহার দায়ের করে। এজাহারে বাদী কালাম সরদার উল্লেখ করেন আসামীদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয় পূর্ব হতে শত্রুতা রয়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন গত ৫ জুন সকাল অনুমান ১১ টার সময় হাতে বড় গাছ কাটা দা, চাপাতি, লোহার রড, শাবল কুড়াল, বাঁশের লাঠি, সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয় আমার ঘরের সামনে এসে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে ১নং আসামী আমার নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি প্রতিবাদ করলে ৪নং আসামীর হুকুমে ১নং আসামীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করলে আমার বাম হাতের হাড় ভাঙ্গা জখমের সৃষ্টি হয়। আমার প্রতিবন্ধি ছেলে মোঃ তুরান সরদার এগিয়ে আসলে আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে বড় গাছ কাটা দা দিয় সজোরে কোপ মারে ও চাপাতি দ্বারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে শরীরের ডান হাতের বাহুতে এবং সাহাদত আঙ্গুলে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। মারামারির এক পর্যায়ে ৪নং আসামী আমার মাজায় লুঙ্গির কোচরে থাকা নগদ ১৯,৫০০/-(উনিশ হাজার পাঁচশত) টাকা নিয় যায়। এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন লিখিত অভিযোগ দায়র হয়ছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button