দৌলতপুরে ৫নং ওয়ার্ডসহ কয়েকটি ওয়ার্ডের এলাকা পরিদর্শনে কেসিসি কর্মকর্তাবৃন্দ

স্টাফ রিপোর্টার : গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ূ সক্রীয় থাকার উপকূলীয় এলাকা তথা দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারী হতে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যহত রয়েছে। তারই প্রভাব পড়ছে নগরীর খুলনার সর্বস্তরে। মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে খুলনার প্রধান প্রধান সড়কসহ স্থানীয় এলাকার গুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির দরুন নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে চলমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নতুবা সামনে দিনে এই দুর্ভোগ আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এদিকে, মৌসুমের প্রথম ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে তৎপরতা চালাচ্ছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসি প্রশাসক মো: ফিরোজ সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। ওই ধারাবাহিকতায় মৌসুমের প্রথম অতিবৃষ্টির কারণে ৩১নং ওয়ার্ডের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়ার পর কেসিসি প্রশাসক মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে বের হন এবং জলাবদ্ধতার কারণসমূহ চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন। বুধবার সকালে দৌলতপুরস্হ ৫ নং ওয়ার্ডের মুহসিন মোড়, ঋষিপাড়া মোড়, ৯ নং ওয়ার্ডস্হ বাস্তহারা ছাতা পার্ক, স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা সমূহ পরিদর্শন করেন কেসিসি এস্টেট অফিসার ও ৫ নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর শেখ আশরাফ হোসেন, দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আশিকুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী এফ এম ফয়সাল , সহকারি কঞ্জারভেন্সি অফিসার মোঃ জিয়াউর রহমান, ৫ নং ওয়ার্ডের কঞ্জারভেন্সি ঠিকাদার মোঃ কবির হোসেন, ৫ নং ওয়ার্ডের কঞ্জারভেন্সি সুপারভাইজার মোঃ জাকির হোসেন।
৫ নং ওয়ার্ডস্হ ঋষিপাড়া মোড় এলাকা পরিদর্শনকালে ওই এলাকার বাসিন্দা এ্যাপোলো জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সম্প্রতি দৌলতপুর হয়ে ঋষিপাড়া পর্যন্ত নতুন ড্রেন তৈরি করলেও সমাধান মিলছে না। কারণ, ম্যানুয়ালভাবে কালভার্টের ভেতরে জমে থাকা কাদা মাটি ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতে পারছে না পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। যে কারণে পানির প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, সামান্য বৃষ্টিতে মোড়টিতে দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা। সংশ্লিষ্টদের কাছে অচিরেই এ সমস্যা সমাধানের দাবি জানান তিনি। ৯নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা রাজিব জানান, একটু ভারী বর্ষা হলেই বাস্তহারা এলাকায় পানি উঠে যায়। আমাদের চলাচলে খুব ভোগান্তি পোহাতে হয়। আমরা বাস্তহারাবাসি এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান চাই। এ বিষয়ে কেসিসির ৫ নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসি প্রশাসক মো: ফিরোজ সরকার মহোদয়ের নির্দেশক্রমে নিজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়ার্ড ছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড সমূহে ঘুরে জলাবদ্ধতার কারণসমূহ চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ করছি।



