মোংলা বন্দর পশুর চ্যানেলে ৯১৪ মেঃ টন ফ্লাইআশ বোঝাই ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজ ২ দিনেও উদ্ধার হয়নি

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল ও মোংলা ঘষিয়াখালীর ত্রি-মোহনায় ফ্লাইআশ বোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবির ২ দিন অতিবাহিত হলেও জাহাজটি উদ্ধার হয়নি। রবিবার সকাল পর্যন্ত জাহাজটি উদ্ধারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার অন্য একটি লাইটার জাহাজের সাথে সংঘর্ষে ফ্লাইআশবোঝাই কার্গোটি ডুবে যায়। তবে এতে জাহাজে থাকা নাবিকরা অন্য একটি নৌযানে করে কিনারে এসেছে। মোংলা বন্দরের হারবার বিভাগ ও ডুবে যাওয়া কার্গো এমভি মিজান-১ জাহাজটি মাস্টার মো: শওকাত শেখ জানান, কার্গো জাহাজটি ভারতের কলকাতার ভেন্ডেল থেকে ফ্লাইঅ্যাশ (সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল) নিয়ে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল দিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জের বসুন্ধরার ঘাটে যাওয়ার সময় মোংলা পশুর চ্যানেল ও ঘষিয়াখালী ক্যানেলের ত্রি-মোহনায় যাত্রা বিরতি কালে এ দুর্ঘটনায় পড়ে। তাদের জাহাজটি পশুর চ্যানেলে অ্যাংকর করা অবস্থায় ছিল। এ সময় এমভি কে, আলম গুলশান-২ নামে একটি লাইটার কার্গো জাহাজ ধাক্কা দিয়ে তাদের জাহাজের ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে ডুবে যায় এমভি মিজান-১ কার্গো জাহাজটি। ডুবে যাওয়া এ জাহাজটিতে ৯১৪ মেট্রিক টন ফ্লাইঅ্যাশ ছিল। জাহাজে থাকা ১০ জন নাবিক অন্য নৌযানের সহায়তায় কিনারে উঠতে সক্ষম হয়েছে। সামান্য আহত হলেও তেমন কোন ক্ষতি হয়নি নাবিকদের৷ তবে ডুবন্ত কার্গোটিতে নাবিকদের কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল নদীতে ভেসে যায়। কার্গো জাহাজে থাকা নাবিকরা প্রানে রক্ষা পেলেও তাদের নগদ টাকা ও মুল্যবান মালামাল কোন কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মাংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মো: মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা পশুর নদী ঘষিয়াখালী মোহনায় একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। এ ব্যাপারে বন্দরের হারবার বিভাগ থেকে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে ডুবন্ত কার্গোটি মেইন চ্যানেল থেকে অনেকটা দুরে ডুবে আছে। বন্দরে দেশ-বিদেশী জাহাজ আগমন নির্গামনে মুল চ্যানেল সুরক্ষিত রয়েছে। চ্যানেল দিয়ে পন্যবাহী জাহাজ বা অন্যান্য নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।



