স্থানীয় সংবাদ

যশোরে নারীসহ তিনজন জখম’র ঘটনায় মামলা

# গ্রেফতার-১ #

যশোর ব্যুরো ঃ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে শহরের শংকরপুর জমাদ্দার পাড়া এলাকায় হামলা চালিয়ে দুই যুবক ও এক নারীকে এলোপাতাড়ী পিটিয়ে জখম করেছে। এসময় গুলি বর্ষন ও বোমাবাজি করেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় সোমবার বিকালে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি করেন, শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া গ্রামের আব্দুল শহিদ মোড়লের মেয়ে তনু আক্তার। পুলিশ এজাহার নামীয় আসামী স¤্রাটকে গ্রেফতার করেছে। মামলায় আসামী করেন, ওই এলাকার ১২ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫জন। মামলায় আসামীরা হচ্ছে, ওই এলাকার আলার ছেলে জাহাঙ্গীর,সহোদর বাদশা, রাজা,স¤্রাট, অপর আসামীরা হচ্ছে, সুজন,আতর আলীর ছেলে ইমরান, চোর রুস্তমের ছেলে রিপন, জালালের ছেলে ইয়াসিন, বিপ্লব, শরীফের ছেলে সজীব,মনু, আজিজুলসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫জন। মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, আসামীরা মাদকাসক্ত,মাদক ব্যবসায়ী বখাটেসহ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। আসামীদের সাথে বাদির পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা ও দ্বন্দ্ব চলে আসছে। আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২২ জুলাই বিকাল আনুমানিক ৫ টার সময় শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া শংকরপুর জনৈক কাননদের বাড়ির সামনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাদির স্বামী আলতুর ছেলে অনিক হাজান অনি (২৩) ও প্রতিবেশী আব্দুল খালেকের ছেলে আকাশকে খুন করার উদ্দেশ্যে তাদের গতিরোধ করে এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। তখন বাদি ঘটনা দেখে এগিয়ে গেলে আসামীরা বাদির প্রতিবেশী রিনা বেগমকে খুন করার উদ্দেশ্যে তার মাথায় হাতে,পিঠেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। ওই সময় আসামী জাহাঙ্গীর আকাশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষন করে ও অন্যান্য আসামীরা বোমাবাজি করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। আসামীরা বাদিসহ তার স্বামী অনিক এব্য প্রতিবেশী রিনাসহ তার নাতি আকাশকে খুন জখমের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখিলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বাদির ডাক চিৎকারে পাশ^বর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা খুন জখমের হুমকী দিয়ে চলে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রিনা বেগমকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোমবার ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় আসামী বাদশাকে তার বাড়ি হতে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button