দৌলতপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ৮ মাস পর বাগেরহাট হতে আসামী গ্রেপ্তার

# আদালতে আসামীর ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে চুরির দায় স্বীকার #
# বাকি আসামীদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে: ওসি #
স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র অর্ন্তভূক্ত দৌলতপুর থানা পুলিশ থানাধীন এলাকার সর্বস্তারের জনগনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ এলাকার সন্ত্রাস, অপসাম্প্রদায়িক বিরোধী কর্মকা-, চুরি-ছিনতাইসহ সকল প্রকার অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে পুলিশি দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার প্রচেষ্টা অব্যহত রেখে চলেছে। ওই ধারাবাহিকতায় মামলার তদন্তকালে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ভোরে নগরীর দৌলতপুর মুহসিন মোড়স্থ সাতক্ষীরা রোড সংলগ্ন গার্লস স্কুলের গেটের পর্ব পাশে জনৈক এক ব্যবসায়ী দোকানের সার্টার ভেঙে অজ্ঞাতনামা চোরচক্রের সদস্যরা পৌনে চার লাখ টাকার ইজিবাইক ও রিক্সার ব্যাটারী চুরি করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় দোকানের মালিক মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৬)। মামলার পর তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন বর্তমান থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. বদিউর রহমান। তদন্তে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে চুরির ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় ঘটনার ৮ মাস পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (১৯ আগষ্ট) সকালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানাধীন কচাতলা এলাকার বাসিন্দা মো. ইউনূস আকন্দের পুত্র মোঃ ইমদাদুল আকন (৩৫)’কে করে গ্রেপ্তার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসমীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং সহযোগী আসামীদের নামও প্রকাশ করে। বুধবার (২০ আগষ্ট) আসামীকে সংশ্লিষ্ট দৌলতপুর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক সম্মুখে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দীতে ওই চুরির ঘটনায় সরাসরি যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে এবং সহযোগী আসামীদের নামও প্রকাশ করে। ওই চুরির ঘটনায় বাকী জড়িত আসামীদের গ্রেপ্তার ও চোরাই মালামাল উদ্ধারে আইনী কার্যক্রম অব্যহত আছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর আতাহার আলী।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো.বদিউর রহমান জানান, গত বছর একটি দোকানের চুরি মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়, তদন্ত অব্যহত রাখি। চুরির ঘটনায় সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমান মেলার পর মঙ্গলবার বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানা এলাকা থেকে চুরির সাথে সরাসরি যুক্ত এক আসামীকে গ্রেপ্তার করি। ওই আসামী বাকি সহযোগী আসামীদের নাম প্রকাশ করে। বুধবার (২০ আগষ্ট) দুপুরে আসামীকে আদালতে সোর্পদ করি। বিজ্ঞ বিচারক সম্মুখে গ্রেপ্তারকৃত আসামী জবানবন্দীতে চুরির সাথে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে। চুরির ঘটনায় বাকী জড়িত আসামীদের গ্রেপ্তার ও চোরাই মালামাল উদ্ধারে আইনী কার্যক্রম অব্যহত আছে। দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর আতাহার আলী জানান, আমরা জনগণের সেবক, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই। প্রতিটি অপরাধের সাথে সম্পৃক্তকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, তা দু’দিন আগে বা পরে। এ বিষয়টিও তেমন। চুরির ঘটনার ৮ মাস পর ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকা এক আসামীকে আমরা গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছি। গ্রেপ্তারকৃত আসামী আদালতে জবানবন্দীতে চুরির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে, বাকী আসামী গ্রেপ্তার ও চুরির মালামাল উদ্ধারে আমরা কাজ করছি।



