ফিল্ড টেস্টে ধরা পড়লো কেসিসির মশক নিধন ওষুধের মান নি¤œমানের

# আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন ওষুধ আনার নির্দেশ #
স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক মশক নিধনের ওষুধের মান পরীক্ষা (ফিল্ড টেস্ট) করতে গিয়ে তা ধরা পড়লো নি¤œমানের ওষুধ। ঠিকদারকে আগামী তিন দিনের মধ্যে মানযুক্ত ওষুধ আনার কথা সাব জানিয়ে দেয় টিম প্রধান কেসিসির সচিব শরীফ আসিফ রহমান। শনিবার সকালে কেসিসি ক্লে ট্যাংকী গ্যারেজে এ ওষুধের মান যাচাই করা হয়। এসব বিভিন্ন শ্রেনীর লোকেরা উপস্থিত ছিলেন। কনজারভেন্সী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৩১টি ওয়ার্ডের জন্য ৫৬টি ফগার মেশিন রয়েছে। যা দিয়ে বিকেলে মশার ওষুধ ছিটানো হয়। যে ওষুধের মান পরীক্ষা করা হয়, তার নাম সাইপার ম্যাথরিন। চায়না থেকে এ ওষুধ আনা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। শনিবার মশা ধরে এনে মশারীর মধ্যে রাখা হয়। পরে ওই মশায় নতুন আমদানিকৃত ওষুধ ফগার মেশিন দ্বারা স্প্রে করা হয়। কিন্তু মশা না মারা যাওয়ার ফলে কর্তৃপক্ষ ওই ওষুধ বাতিল বলে গন্য করেন। একই সাথে আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন কোম্পানীর ওষুধ এনে জমা দেয়ার জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়। তিন দিন পর আবার নতুন ওষুধের মান পরীক্ষা করা হবে। সে দিনও সকলের সামনে ওষুধের মান পরীক্ষা করা হবে বলে সচিব জানান। তবে নতুন ওষুধ না আসা পর্যন্ত মজুদ করা পুরাতন ওষুধ দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। একই সাথে বর্ষা মৌসুম শেষে মশার উৎপাত বাড়তে পারে-সে বিষয়টি সকলকে মাথায় রেখে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহবান জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান, ভেটেরিনারি অফিসার ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অফিসার এসকেএম তাছাদুজ্জামান, কেসিসি কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, নাগরিক নেতা ডাঃ নাসির উদ্দীন, ঠিকাদার শারফুদ্দীন টিপুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা।
