দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ী বাজারে নির্বাচনী পথসভা #
স্টাফ রিপোর্টার ।ঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, স্বৈরাচারী ও ফ্যাসীবাদী আওয়ামী বাকশালী সরকারের পতন হলেও তারা এখনো নানাভাবে সক্রিয় ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তারা বিভিন্ন রূপ ও বেশ ধরে নতুন আঙ্গিকে ফিরে আসার চক্রান্ত চালাচ্ছে। তারা অর্জিত বিজয়কে নস্যাৎ ও বিপ্লবী সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছে। কিন্তু স্বাধীনচেতা ও আত্মসচেতন জনগণ তাদের এ সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে। অর্জিত বিজয়কে অর্থবহ ও টেকসই করতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে খুলনা-৩ আসনের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ শেষে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ী বাজারে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
১নং ওয়ার্ড আমীর রেজাউল কবির এর সভাপতিত্বে ও ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি ডা. সৈয়দ গোলাম কিবরিয়ার পরিচালনায়
বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, দৌলতপুর থানা আমীর মু. মুশাররফ আনসারী, খুলনা মহানগরী ব্যবসায়ী থানার সাধারণ সম্পাদক এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, দৌলতপুর থানা সেক্রেটারি মাওলানা মহিউদ্দিন আলমগীর। অন্যান্যদের মধ্যে দৌলতপুর থানা সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ, দৌলতপুর থানা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হক, মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাসানুজ্জামান, শ্রমিক নেতা খান মাহবুবুর রহমান জুনায়েদ, শহিদুল ইসলাম, নাসিরুজ্জামান, সিহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মহানগরী আমীর বলেন, এখন থেকে প্রতিটি পাড়া-মহল্লাসহ প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ন্যায় ইনসাফের প্রতীক দাড়ি পাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। দেশবাসী আর ২০১৪, ২০১৮ আর ২০২৪ এর মতো কোনো নির্বাচন দেখতে চায় না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, জামায়াত একটি গণমুখী ও আদর্শবাদী রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা গণমানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্যই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জামায়াত কুরআন-সুন্নাহর আদর্শের ভিত্তিতে দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত কল্যাণকামী সমাজ প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। মূলত, দেশে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন প্রতিষ্ঠিত না থাকায় মানুষ আজ অধিকার বঞ্চিত। দেশে সুশাসন নেই। আর মানবরচিত জীবন বিধান দিয়ে মানুষের মুক্তি ও কল্যাণ সম্ভব নয়। তাই মানবজীবনের সকল সমস্যার সমাধান ও দেশে একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের সকলকে ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর মানুষকে সে একদফায় ঐক্য করার জন্য জামায়াত প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের এ প্রচেষ্টা সফল হলে রাষ্ট্রই সকল মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করবে। তিনি সে স্বপ্নের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ইনসাফের প্রতীক দাড়িপাল্লার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।



