স্থানীয় সংবাদ

উৎসাহ উদ্দীপনায় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি ঃ দীর্ঘ ২৩ বছর পর ফুলবাড়ীগেট বাজারের ব্যবসায়ীরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ উপভোগ করলেন। ভোটের পরিবেশ এবং সুশৃংখল ভাবে সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিতে পেরে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে ঠিক সকাল ৯ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় যা বিরতিহীন ভাবে চলে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত । ফুলবাড়ীগেট মিরেরডাঙ্গা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে সকাল ৯ টা বাজার আগেই বাজারের ব্যবসায়ীরা সারিবদ্ধ সুশৃংখলভাবে দাঁড়িয়ে তাদের ভোট প্রদান করেন। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় ভোট গণনা। প্রতিটি প্রার্থীর এজেন্ট এবং আইন শৃংখলা বাহিনীসহ অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতে ভোট গণনা শুরু হয় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা সোহাগ হোসেন জানায়, বৈরী আবহওয়াকে উপেক্ষা করে বাজারের ব্যবসায়ীরা অত্যান্ত সুন্দর ও সুশংখলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ট সুন্দর ও শান্তিপুর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। কেন্দ্রের তিনটি কক্ষে ১৮ টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট এক হাজার ৬৫৮ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৬০৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। ভোটার উপস্থিতি ৯৬ শতাংশ। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়ন ছিল। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোট গ্রহণ, গণনাসহ সকল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন খুলনা শ্রম ও পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক হাফিজ আহমেদ মজুমদার, উপ-পরিচালক ফারুক হোসেন ও মোঃ মাহবুব আলম। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ভোটের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী, আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক, বাজারের ব্যবসায়ীসহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভোট গণনায় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ফুলবাড়ীগেট বাজার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি হাফিজুর রহমান হাফিজী, সদস্য বিএনপি নেতা মোঃ ইকবাল হোসেন মিজান ও চৌধুরী প্লাজার স্বত্বাধিকারী মোঃ মইন চৌধুরী। সহযোগি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আনছার উদ্দিন ও মোঃ জহির উদ্দিন লিটন । রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button