খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অকি্রাজেন খুলে নেওয়ার পরই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

# দৈনিক প্রবাহে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় #
স্টাফ রির্পোটার ঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনার কর্তৃক মুমুর্ষ রোগীর অক্্িরজেন খুলে নেওয়ার পরই শেখ সাইফুল ইসলাম(৩৮)নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গঠিত কমিটিকে জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার প্রথম পাতার তিন কলমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনার খুলে নিল রোগির অক্্িরজেন, খুলে নেওয়ার কিছু সময়ের পরই যুবকের মৃত্যু। ওয়ার্ড বয় এবং ক্লিনারদের টাকা দেওয়া ছাড়া সহজে মেলেনা সিট ও অক্্িরজেন শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয়টি নজরে আসে। গতকাল রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ কাজী মোঃ আইনুল ইসলাম স্বক্ষরিত এক অফিস আদেশে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মেডিসিন ইউনিট প্রধান ডাঃ শেখ মোয়াজ্জেম হোসেনকে সভাপতি করে এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আখতারুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর তিনজন সদস্য হলো হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হোসেন আলী, হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক(ভারপ্রাপ্ত) রেবেকা বানু এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জি এম ইকতিয়ার উদ্দীন। অফিস আদেশে বলা হয়েছে গত ২২/০৯/২০২৫ ইং তারিখের পত্রিকায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জনৈক সেচ্ছাসেবক এর বিরুদ্ধে “বকশিশ না পেয়ে ক্লিনার খুলে নিল অক্সিজেন, রোগীর মৃত্যু” নামে অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী, ঢাকা এর পরিচালক (হাসপাতাল) মহোদয়ের টেলিফোনিক তথ্যের প্রেক্ষিতে হাসপাতালের চিকিৎসক/কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। গঠিত কমিটিকে জরুরী ভিত্তিতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হলো এবং অত্র হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জি.এম. ইকতিয়ার উদ্দীন কে কমিটিকে সার্বিক সহোযোগীতা করার জন্য বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ২০ সেপ্টেম্বর যোগিপোল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড খানাবাড়ী কপোতাক্ষ নিবাসী শেখ সাইফুল ইসলাম(৩৮) কিডনীজনিত কারণে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপতালের মেডিসিন ইউনিট-১ এর ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। ভর্তির পর তার অবস্থা আরো অবনতি হলে ঐদিন দিবাগত রাত ১ টার পর সাইফুলকে অক্সিজেন দেয়া হয়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার পর ওয়ার্ড ক্লিনার জব্বার(আউটসোসিং) অক্সিজেন খুলে নিয়ে পার্শবর্তি অন্য একটি রোগীকে নিয়ে দেয়। অক্সিজেন খুলে নিয়ে যাওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যেই আমার ভাই ছটফট করতে করতে মারা যায় বলে নিহত সাইফুলের স্বজনরা জানায়।



