বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক হিসেবে অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী কাজ চালিয়ে যাবে : মিয়া গোলাম পরওয়ার

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভীতিকর মনোভাব তৈরি করতে তারাই কাজ করেছে যারা হিন্দুদের ব্যবহার করে ক্ষমতায় গেছে এবং যেতে চায়। অথচ ইসলাম সব মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার নিশ্চিতায় দিয়েছে। তাই বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে এখানকার প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে। হিন্দুদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয় বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক হিসেবে অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী কাজ চালিয়ে যাবে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে শারদীয় উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
মাগুরখালী ইউনিয়নের হেতালবুনিয়া, শিবনগর, গজারিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম পাতিবুনিয়া মন্দির পরিদর্শন করেন। এ-সময় তিনি শারদীয় উৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে বিনিময় করেন। বিকেলে শোভনা ইউনিয়নের পশ্চিম শোভনা ঋষিবাড়ী মন্দির, কুলতলা মন্দির, গোডাউন মন্দির, হাইস্কুল মন্দির, কাকমারী, কদমতল, গাবতলা, জিয়েলতলা মন্দির ও সন্ধ্যায় আটলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, হিন্দু কমিটির উপজেলা সহ-সভাপতি ডা. হরিদাস পাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডল, জামায়াত নেতা শেখ মোসলেম উদ্দিন, আবুল বাসার খান, মাওলানা আব্দুস সোবহান, সোহরাব হোসেন, ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি বেলাল হোসাইন রিয়াদ, জাহিদুল ইসলাম, এডভোকেট আলমগীর কবির, ডা. সজল, আব্দুল মজিদ, ইসলাম উদ্দিন, ইউপি মেম্বর শফিউল¬াহ, বেলাল হোসাইন, যুবনেতা সাইফুল ইসলাম, আবু বকর সিদ্দিক, আবদুল জলিল প্রমুখ। এ ছাড়া আটলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মতিউর রহমান, সহ-সভাপতি হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক, সেক্রেটারি হাফেজ মঈন উদ্দীন, উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দী, মাওলানা রুহুল আমীন, রবিউল ইসলাম বুলু প্রমুখ।
সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, একটি দেশে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার। একজন মুসলমান যেসব অধিকার নিয়ে বসবাস করবে, একজন হিন্দু-বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। কোন শব্দ প্রয়োগ করে কাউকে ছোট করা একটি জঘন্য অন্যায়, শরিয়তে এটা না জায়েজ। দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘেœ পূজা-অর্চনা পালন করতে পারে সে জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে। দুর্গাপূজায় যেন অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা না ঘটে এবং কোনো দুষ্কৃতিকারী যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায় সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করবে।



