কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায় বারবার হামলায় শিকার হচ্ছেন ফেরিঘাট মাদক প্রতিরোধ কমিটির নেতা ওলি

স্টাফ রিপোর্টারঃ পুলিশ কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় বারবার হামলায় শিকার হচ্ছেন নগরীর ফেরিঘাট মাদক প্রতিরোধ কমিটির নেতা শেখ ওলি(৫৭)। শনিবার সকাল ৭টায় টিনাবস্তির বাসা থেকে হাটতে বের হন। হেটে তিনি সোয়া ৭টার দিকে বড় দা দত্তলেনের মোড়ে পৌছালে ইজিবাইকে আসা ৫/৬ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাকে ধাওয়া করে। তিনি দৌড়ে টিনাবস্তির সামনে পৌছালে সন্ত্রাসীরা তার উপর হামলা চালায়। এতে তার হাত ও পায়ে জখম হন। চিৎকারে টিনাবস্তিবাসী ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাসায় চলে আসেন বলে ভিকটিমের স্ত্রী হামিদা বেগম জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী ল্যাংড়া শামীম ও তার ক্যাডার বাহিনী বারবার হামলা করছে। এই সন্ত্রাসীগ্রুপের সদস্য রয়েছে টিনাবস্তিতে ও আশপাশ এলাকায়। তারা সন্ত্রাসী ন্যাংড়া শামীমকে এ কাজে সহায়তা করছে বলে হামিদা জানান। তার স্বামী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। থানায় গেলে বিগত দিনের ন্যায় পুলিশ অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। অনেক অনুরোধ করলেও পুলিশ তাদের কথা আমলে নেয়নি বলে তিনি জানান। এর আগে গত ২৬ আগস্ট পুলিশ টিনাবস্তিতে ফয়সাল নামক এক দুর্বৃত্তকে খুঁজতে আসে। তবে পুলিশ তাকে পাইনি। তাকে গ্রেফতার করানোর জন্য ওলি পুলিশ ডেকে এনেছে-এমনই সন্দেহের জায়গা থেকে সন্ত্রাসী ন্যাংড়া শামীম (২৭) ও তার গুন্ডা বাহিনী মটর সাইকেল যোগে এসে ওলির ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার সময় টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দেয়। তখন তারা দু’টি মটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। ওই সময় সোনাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও পুলিশ তা রেকর্ড করেনি। অথচ সন্ত্রাসীরা ওলি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় জীবননাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালেও তারা অভিযোগ রেকর্ড করা বা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। এতে করে পুরো পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে বলে হামিদা বেগম জানান। সোনাডাঙ্গা থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, ঢাকাই শামীম মোস্টওয়ান্টেড। পুলিশ তাকে খুজছে। ওলি যে কয়বার পুলিশকে ফোন দিয়েছে সে কয়বার পুলিশ পাঠিয়েছি। তারপর ওলি অভিযোগ দিলে তার অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হবে বলে তিনি জানান।



