কালো টাকা, ভোট কেন্দ্র দখলমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, অস্ত্রমুক্ত, অবাধও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পিআর পদ্ধতির বিকল্প নেই : অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# ১১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিরতণ ও গণসংযোগ #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, কালো টাকা ও দখলদারমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, অস্ত্র মুক্ত, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চাইলে পি আর পদ্ধতি হলো একমাত্র সমাধান। আমরা বড় কি ছোট দল বুঝিনা যারা যে কোনো দলেরই প্রতিনিধিত্ব করেণ তারা সকলেই আমাদের দেশের সম্পদ। তারা যদি ফ্যাসিস্টের দোসর না হয় তাহলে সকলের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে একটি জাতীয় সরকারের রূপরেখা বিনির্মাণের মাধ্যম হচ্ছে পিয়ার পদ্ধতি। তিনি বলেন, দেশে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য পিআর পদ্ধতির নির্বাচন ছাড়া কোন বিকল্প নেই। অতএব শান্তি প্রতিষ্ঠায় পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের বিকল্প নেই। পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হবে। মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন হবে। তিনি বলেন, আল কুরআনের সমাজ ও রাষ্ট্র কায়েমের জন্য প্রতিটি মুহূর্তকে মূল্যায়ন করতে হবে তাই বৃষ্টির দিনেও আল কুরআনের দাওয়াত নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আমরা আশা করছি, আগামীর বাংলাদেশ হবে আল কুরআনের বাংলাদেশ, আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ। ৫ আগস্টের পর থেকে যে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক অরাজনৈতিক শক্তির দ্বারা সাধারণ মানুষের ক্ষতি বা অন্যায় ঘটলে তার প্রমাণ সংরক্ষণ রাখার আহ্বান জানান তিনি। তিন বলেন, সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাধারণ মানুষের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শনিবার (৪ অক্টোবর) দিনব্যাপী খুলনা-৩ আসনের ১১ নং ওয়ার্ডের খালিশপুর নিউমার্কেট, প্লাটিনাম ২ নং গেট, পিপলস পাঁচতলা কলোনী, বিআইডিসি রোডসহ বিভিন্ন স্থানে
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় বাংলাদেশ ইসলামীর খুলনা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, খালিশপুর থানা আমীর আব্দুল্লাহ আল মামুন, গাজী আবু সাঈদ, শ্রমিক নেতা এস এম মাহফুজুর রহমান, মো. জাহিদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মো. আল কাওসার আমিন, মো. কামাল হোসেন, এডভোকেট আবু সাঈদ, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ আলী আজম, রিপন হোসেন, নুর ইসলাম, মো. মহসিন, মোহাম্মদ ডালিম, মো. আলমগীর হোসেন, আলমগীর হায়দার রিয়াজ, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মো. আবুল কালাম মো. হুমায়ুন পাটোয়ারী, শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ রিপন হোসেন, আব্দুস সোবহান, মাস্টার আবুল কালাম, মোহাম্মদ আলী, আমিরুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, জালাল আহমেদ, আব্দুল হালিম, দ্বীন মোহাম্মদ, আফজাল হোসেন, রুহুল আমিন, ছাত্রনেতা ইসমাইল হোসেন, ইমন হোসেন, আব্দুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মহানগরী আমীর আরও বলেন, আমাদের নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমরা অন্যায়ের কাছে আপোষ করি নাই। দেশে যাতে আর একটা ফ্যাসিবাদ তৈরি না হয় সে জন্য জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে নির্বাচন দিতে হবে। যারা জুলাই সনদ এবং পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করে তারা মূলত অংশগ্রহণমূলক অবাতে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়না। অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল নয় এটা গণহত্যাকারী দল হিসেবে চিহ্নিত। তারা কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন করেন নাই। জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতার অনুরোধে আপনি ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন। সেই শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আপনি যদি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের কথা বলেন তাহলে শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন। কোন রাজনৈতিক দল কিংবা সরকার আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চায় দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ ভাবে তা প্রতিহত করবে। তিনি বলেন, আমরা এমপি হতে চইনা আমরা হব জনগণের সেবক।



