খানজাহান আলী থানা বিএনপি নেতা হেলাল শরীফের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খানজাহান আলী থানা বিএনপি নেতা হেলাল শরীফ এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার এর অভিযোগে এর প্রতিবাদে গতকাল সকাল ১১ টায় যোগিপোল নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেতা হেলাল শরিফ । লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন আমার বড় চাচা বীর প্রতীক হাজী খোরশেদ আলম কর্মজীবনে তিনি সুবেদার ছিলেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। ১৯৯৬ সালে আমি কাজের জন্য সৌদি আরব যাই। আমি সেখানে দীর্ঘ ১২ বছর কর্মজীবন অতিবাহিত করি এবং দেশে এসে নিয়মিত ব্যাবসা বাণিজ্য করি। আমার বড় ব্যাবসা করেন এবং ছোট ভাই বিদেশ থাকে জীবনে চাঁদাবাজি বা নালিশি এই প্রকার আমার নামে কোন অভিযোগ নাই যা এ অঞ্চলের মানুষের কাছে স্পষ্ট রয়েছে তবে হ্যা আমি বিএনপির রাজনীতি করার কারনে আমার নামে বিগত দিনে অনেক রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোল্লা সিদ্দিকুর রহমান নামে এক ব্যক্তি আমার নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তিনি মুক্তিষোদ্ধার নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে হুমকি ও মিথ্যা মামল্যা বিগত আওয়ামীলীগ সরকার এর আমলে দায়ের করে হয়রানি করেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি হলো খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস এবং মমতা ক্লিনিজের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের নামে মামলা করে যা মিথ্যা প্রমাণিত হযেছে। আরও অনেকের নামেই তিনি মিথ্যা মামলা দাদের করেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে প্রমাণিত। সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপি নেতা হেলাল শরীফ বলেন তিনি মসজিদের ও কবরস্থানের জায়গা নিজ নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন। এছ্ড়াা মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে তিনি মসজিদে ইমান্তের পিছনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নামাজে দাড়ে। ওই জাগায় অন্য কেউ নামাজে দাঁড়ালে তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে গল্পা ধাক্ষা দিয়ে বের করে ছিসেছেন এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে রয়েছে ওই এলাকার সিরাজ , মুক্তার ও সুলতান মুন্সি ৫ই আগস্টের আগস্টের আগে নিজের অপব্যবহার করে মসজিদে ব্যায়াম করতেন। সিদ্দিকুর রহমান এর পুত্র শফিকুর রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে চাকরি করার পরও একটি মামলা দায়ের করে চাকরিতে যোগদান না করে নিজ স্ত্রীর নামে ঠিকাদারী লাইসেন্স করে ব্যবসা করে আসছে। আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা তার শ্যালক শ্যালক গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি । আর ছেলে হাবিবুর রহমান খানজাহান আলী খানা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন এবং গোপালগঞ্জ জেলা ভার্সিটির ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন এবং তার বড় ছেলে বিএনপি চেয়ারপর্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দির নির্দেশ হলে সেদিন কুয়েটে মিষ্টি বিতরণ করেন, আওয়ামী লীগের সমলে তার প্রায় সব ছেলে মেয়ে সহ ৭/৮ জনের চাকরি দেয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে। আর আমাদের সাথে তার ও তার পরিবারের দ্বন্দ্বের মূল ঘটনার সুত্রপাত ঘটে প্রায় দুই বছর আগে, তখন আমার ছেলে এবং আমার ভাইয়ের ছেলে মাঠে খেলতে গেলে তাদের করেক দফা মারধর করে । সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপি নেতা হেলাল শরীফ বলেন সেই ‘ঘটনার জের ধরে এখন আবার নতুন করে সিদ্দিকুর রহমান তার পরিবারের সদস্যদের উস্কানি দিয়ে আসছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন গত ২৪ তারিখ আমার ছেলে আমার ছোট মেয়েকে নিয়ে সন্ধ্যাবেলা ঘুরতে বের হলে আমার ছেলেকে শফিকের ছেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধর করে আমি এগিয়ে আসলে আমাকেও মারপিট করে এবং দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে আমাদের উপর হামলা করেন তখন থানায় গিয়ে অভিযোগ করি ।



