লবনচরা নিউটাউন আবাসিক এলাকায় চোরের উপদ্রব বেড়েছে : আতঙ্কে এলাকাবাসী

# কয়েকদিনের ব্যবধানে মসজিদ, বাসাবাড়ি দোকানপাটসহ ২৫ থেকে ৩০ টা চুরি
# পুলিশের টহল টিম না ঢোকায় মাথা চারা দিয়ে উঠেছে চোরেরা
স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর লবণচরা নিউ টাউন আবাসিক এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে মসজিদ, দোকানপাটসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা। উক্ত এলাকায় ভ্যান, মসজিদের মাইক, রিক্সার ব্যাটারিসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে। চুরির বিষয়টি লবনচোরা থানা পুলিশকে বার বার অবহিত করলেও পুলিশের টহল টিম এলাকায় না ঢোকায় চোরেরা দিন দিন সাহস পাচ্ছে। এলাকার যুবসমাজ মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে এর কারণেই এ চুরি সংঘটিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। চোরেরা রাত ২টার সময় এলাকায় প্রবেশ করে ভোর বেলায় পুটিমারি থেকে বের হয়ে যায় বলে জানা গেছে। এদিকে, এ বিষয়ে লবনচরা থানায় জিডি করা হলেও পুলিশ জোরালোভাবে আইনগত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে নিউ টাউন আবাসিক এলাকায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন ভুক্তভোগীর নগত টাকা সহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সবুর সমিতি থেকে কিস্তি নিয়ে ভ্যান কিনে ছিলেন। সেই ভ্যান চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা। ওই এলাকার ইট বালু ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের মটর, রড, এবং পাম্প চুরি হয়ে গেছে। রেল ব্রিজের ৮নং পিলারের নিকট বসবাস রত ইয়াকুবের ভাইয়ের বাসা থেকে সোনার গহনা, মটর সহ প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। খোকন নামে এক জনের বাসা থেকে রিক্সার ৪টা ব্যাটারি, জাহাঙ্গীর নামে আরও একজনের ইজিবাইকের বাটারি চুরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মুদি দোকানদার শামীম জানান, আমার দোকানে থাকা চাউল, সিগারেটসহ ৪০-৪৫ হাজার টাকার মালামাল, নগত টাকা চুরি হয়েছে। আমি এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি চোরেদের দ্রুত গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।
নিউ টাউন আবাসিক এলাকা পঞ্জেখানা জামে মসজিদের ইমাম সাইফুল্লাহ মানসুর বলেন, চোরেরা আমার মসজিদের মাইক পর্যন্ত চুরি করে নিয়ে গেছে। আমাদের এলাকায় একের পর এক চুরি হচ্ছে। আমাদের এলাকায় পুলিশি টহল না থাকায় চোরের উপদ্রব বেড়েছে। আমাদের এলাকায় কোন নিরাপত্তার ব্যবস্থা নাই। লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এ বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



