স্থানীয় সংবাদ

মশার প্রজনন তৈরি হচ্ছে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে

# দিনের বেলায় মশার উপদ্রব #
# নিচতলায় হাজার হাজার প্লাস্টিক ড্রাম #

শেখ ফেরদৌস রহমান : খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে এখন মশার প্রজনন তৈরির নিরাপদ আশ্রয়। আর এত পরিমাণ মশার উপদ্রব্য যে দিনের বেলাতে মশার কামড়ে হাত ফুলিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালটির নিচতলায় আন্ডার গ্রাউন্ডে হাজার, হাজার, প্লাস্টিক ছোট,ছোট, ড্রাম।পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থা আর হাসপাতালটির সামনে বনজঙ্গলের স্তূপ থাকায় মশার উপদ্রব্য বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া কেসিসি’র পক্ষ থেকে নিয়মিত মশার ওষুধ ব্যবহার না করায় আরও বাড়ছে এসব মশা। হাসপাতালটিতে, কর্মচারীরা মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে মশা নিধনের স্প্রে ব্যবহার করেও কোন ফল পাচ্ছেনা। এতে করে ডেঙ্গু, চিকুন গুনিয়াসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে ভুক্তভোগীরা। এছাড়া হাসপাতালটির আন্তঃ বিভাগে ভর্তির রোগীর স্বজনেরা রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। এ বিষয়ে কথা হয় কার্ডিওলজি বিভাগের রোগীর স্বজন মোঃ আজগর আলীর সাথে তিনি বলেন, আমি বাগেরহাট থেকে এসছি। আমার বাবার চিকিৎসার জন্য রাত্রে বেলায় একটু বিশ্রামের জন্য বসেছিলাম হাসপাতালে দ্বিতীয়তলায ভাস্কুলার কক্ষের এর সামনে ফাঁকা জয়গায়। সেখানে এত পরিমাণ মশা যে এসব মশার কমড়া খেলে স্থানটিতে এত পরিমাণ চুলকায়। যে মনে হয় চুলকিয়ে গায়ের চামড়া উঠে গেলেও চুলকানি থামেনা। একই কথা বলেন, নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক হাসপাতালটির একজন স্টাফ, অফিস করতে গেলে রুমের মধ্যে এত পরিমাণ মশা যে। যে মশা মারতে স্প্রে ব্যবহার করলেও যায়না। এতে করে কাজ করতে সমস্যা হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে। মূলতঃ হাসপাতালটির ড্রেনে প্রচুর পরিমাণ ময়লা আবর্জনা। এছাড়া হাসপাতালটির নিচতলা (আন্ডার গ্রাউন্ডে) এত পরিমাণ প্লাস্টিক ড্রাম জমা এই জায়গাতে মশার প্রজনন হচ্ছে। আমরা ছোট কাজ করি পরিচালককে এসব বলার সাহস নেই। এ বিষয়ে কেসিসি’র ৯ নং ওয়ার্ডে দায়িত্বরত প্রশাসক মোঃ ফয়সাল বলেন, আমরা মাঝের মধ্যে যেয়ে ফগার মেরে দিয়ে আসি। তারপরও আমি বিষয়টি দেখছি রবিবার আমাদের লোক যাবে। এ বিষয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ডাঃ শেখ আবু শাহীন বলেন, হাসপাতালটির প্রধান ফটকের ঝোপঝাড় গুলো পরিস্কার করা আছে। ড্রেনে ময়লা জমতে পারে। এছাড়া নিচতলায় হাজার হাজার, প্লাস্টিক ড্রাম আছে। এসবের কারণে মশার প্রজনন বাড়তে পারে। আমরা হাসপাতাল চত্বর পরিস্কার রাখার চেষ্টা রাখি। এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কনজারভেন্সি শাখার বর্জ্য ব্যবস্থপনার প্রধান মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, আমি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি এখন সুপারভাইজারকে নিদের্শ দিচ্ছি। রবিবার যাবে। এছাড়া হাসপাতাল কর্তৃক উচিত নিয়মিত হাসপাতাল চত্বর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। বিশেষ নজর দেয়া। আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button