বটিয়াঘাটার জলমার কচুবুনিয়া শহররক্ষা বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন

# ৩দিনপর ইউএনওর হস্তক্ষেপে কাজশুরু #
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি ঃ বটিয়াঘাটা উপজেলার ১নং জলমা ইউনিয়নের কচুবুনিয়া শহররক্ষা বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন ৩দিন অতিবাহিত হবার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃমোস্তাফিজুর রহমান এর হস্তক্ষেপে কাজশুরু হয়েছে । তবে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে যে কোন মুহুর্তে ভেঙ্গে প্লাবিত হতে পারে জলমা ইউনিয়ন সহ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার জলমা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কচুবুনিয়া মহাশ্মশান ও ৯ নং ওয়ার্ডের তেঁতুলতলার সংযোগ স্থলে শহররক্ষা বেড়িবাঁধে হঠাৎ করে গত শনিবার সকাল থেকে ভাঙ্গন শুরু হয়ে অব্যাহত রয়েছে । গতকাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাময়িক ভাবে বস্তায় বালু ভরে ভাঙ্গনে কাজ করছে। তবে দ্রুত স্থায়ী ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে জলমা ইউনিয়নের বড় বড় জণগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সহ শহরের ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করেছেন এলাকাবাসী । উল্লেখ্য স্থানীয় নদী ভাঙ্গন উপকূলীয় এলাকাবাসী জানায়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে উক্ত স্থান থেকে রাতের আধারে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করায় ভাঙ্গনের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন । । অপরদিকে শহররক্ষা বেড়িবাঁধের উক্ত স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন সময়ে লোক দেখানো মাত্র সামান্য কাজ করলেও বাস্তবে সব সময় ঝুঁকি থেকেই গেছে । এব্যাপারে ১ নং জলমা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান পার্থ রায় মিঠুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কচুবুনিয়ায় শহররক্ষা বেড়িবাঁধে ভাঙ্গন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে । আমি সরেজমিনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেছি । অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমানকে অবগত করলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, সমস্যা সমাধানের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করেছি । সেই মোতাবেক পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গতকাল বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাময়িক ভাবে বস্তায় বালু ভরে ভাঙ্গনে ফেলা হচ্ছে । ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধান করতে আলাপ আলোচনা চলছে ।



