আমানত রক্ষা ও সততার প্রশ্নে জামায়াত সর্বদা আপোসহীন থাকবে : অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর আমাদের কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। কিন্তু আল্লাহর রহমতে এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। জনগণ ধীরে ধীরে আমাদের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে। ক্ষমতার মোহে আমরা যেন পরকালকে ভুলে না যাই। আমানত রক্ষা ও সততার প্রশ্নে জামায়াত সর্বদা আপোসহীন থাকবে ইনশাআল্লাহ। জনগণের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা জনগণের সেবা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) খুলনা-৩ আসনের দৌলতপুর থানা ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ শেষে মানিকতলা মোড়ে পথসভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় দৌলতপুর থানা সেক্রেটারি মাওলানা মহিউদ্দিন, ১ নং ওয়ার্ড আমীর রেজাউল কবির, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল প্রার্থী আজিজুর রহমান স্বপন, জামায়াত নেতা মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাসানুজ্জামান, আরিফ হোসেন, হুমায়ুন কবির, আলী আকবার, মোহাম্মদ রেজাউল কবির, সেক্রেটারি সেলিম রেজা, মোহাম্মদ আরিফ খান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, ফজলে রাব্বি, খাইরুল বাশার, সিরাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ আসলাম, মোহাম্মদ টুটুল, আজমির, মোহাম্মদ জিয়া, লিটন মোল্লা, শহিদুল, বশির, মনির, ইয়াসার, মাহমুদ, রানা, চঞ্চল, রাদিদ, হাফিজুর, মেহেদী, হাসান, তোফা, কচি, মীর হুমায়ুন কবির, সোহরাব হোসেন, সান্টু, আরিফুল ইসলাম, জাকির হোসেন, রুম্মান, জয়নাল আবেদীন, দেলোয়ার হোসেন, আবু সাঈদ, মারুফ, রাজু প্রমুখ।
খুলনা-৩ আসনের এই এমপি প্রার্থী বলেন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত আর কুক্ষিগত করার জন্য আমরা রাজনীতিতে আসিনি। আমরা ধর্ম ও রাজনীতি আলাদা করতে চাই না। কারণ ধর্ম রাজনীতিরই অংশ। আমরা দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না। আমরা রাস্তা তৈরি করার সময় ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন নেব না, কাউকে কমিশন নিতেও দেব না। কাড়ি কাড়ি সম্পদ অর্জন করা আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য নয়। সার নিয়ে ডিলারদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে চায়, ধর্ম ও রাজনীতি কখনো আলাদা ছিল না, এখনো নয়, ভবিষ্যতেও আলাদা হবে না। আমরা ইসলামী জীবন বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। লেখাপড়া যেমন ইসলামের অংশ, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষানীতি, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজনীতি তেমনি ইসলামেরই অংশ। আল্লাহর কাছে জনগণের প্রতিটি টাকার হিসাব দিতে হবে-এই চিন্তা করে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তাদেরকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা যদি এই রকম যোগ্য হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে ভোট দিন, নির্বাচিত করুন। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের যদি এই যোগ্যতা না থাকে তাহলে তাদেরকে ভোট দেবেন না।



