দ্বিতীয় স্বামী ও তার পরিবার কর্তৃক হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দ্বিতীয় স্বামী ও তার পরিবার কর্তৃক হয়রানির প্রতিবাদে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন রূপসা দুর্জনীমহল এলাকার ভুক্তভোগী হালিমা খাতুন। গতকাল (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় লিখিত বক্তব্য পাঠকালে হালিমা খাতুন বলেন, আমার ১০ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। আমার ১ম স্বামী আরিজুল ইসলামের সাথে ২০১৮ সালে ডিভোর্স হওয়ার পরে ২০১৯ সালে ময়মনসিংহ নান্দাই উপজেলার চরশ্রীরামপুর আকন্দ পাড়ার রমজান আলী আকন্দের ছেলে মোঃ সাদেক হোসেন আকন্দের সাথে আমার মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে হয়। আমার দ্বিতীয় স্বামী মালায়েশিয়া থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে সে আমাকে বলে আমি অবৈধ ভাবে মালোয়েশিয়াতে আছি কিছু টাকা হলে আমি বৈধভাবে এখানে থাকতে পারবো এবং দেশেও যেতে পারব। তখন আমি আমার দ্বিতীয় স্বামীকে বিশ্বাস করে আমার ১ম স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্ত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা নেয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক একাউন্ট ও বিকাশের মাধ্যমে তার আত্মিয় স্বজনদের দিয়ে আমার কাছ থেকে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। আমার দ্বিতীয় স্বামী ২০২১ সালে ছুটি নিয়ে দেশে এসে জুন মাসে ৫ লক্ষ টাকা দেনমহরে আমাকে রেজিস্ট্রি কাবিন করে।
তিনি আরও বলেন, কিছু দিন সংসার করা পরে আমি জানতে পারি তার বিবাহিত মামাতো বোন শামসুর নাহারের সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক আছে। আমি কিছু বলতে গেলে সে অস্বিকার করে। ২০২৩ সালের শুরুতে ইউরপে যাওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম নামে তার এক আত্মীয়ে কাছে আমি ১ লক্ষ টাকা দেই। সেই টাকা দিয়েও সে তার বাড়ির ঘর নির্মাণ করে। এরপর আবারও আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়।
এমনি কি এই পর্ণগ্রাফি ছবি ও ভিডিও আমার ডিভোর্স হওয়া ১ম স্বামীর কাছে পাঠায়। আমি তাকে ফোনদিলে সে আমার এই নম্বরটিও ব্লক করে দেয়। এই ছবি ও ভিডিও নিয়ে প্রতিবেশী মেহেদী হাসান শেখ আমাকে ব্ল্যাকমেল করে আমার কাছে নগদ টাকা দাবি করে। আমি ও আমার কন্যা সন্তানের কথা ভেবে মোঃ মেহেদী হাসান শেখকে ৩ লক্ষ টাকা দেই। কিছুদিন যাওয়ার আরও ২ লক্ষ টাকা দাবি করে এমকি বিভিন্ন সময় অপরিচিত নম্বর দিয়ে আমাকে হয়রানি চেষ্টা করে। আমি নিরূপায় হয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী মোঃ সাদেক হোসেন আকন্দ ও মোঃ মেহেদী হাসন শেখের নামে পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৮(২)/৮(৪) ধারায় মামলা করি । বর্তমানে মোঃ মেহেদী হাসন শেখ অস্থায়ী জামিনে আছে। পরবর্তীতে মোঃ মেহেদী হাসান শেখের মা শাহানাজ বেগম আমি ও আমার বোন ভগ্নিপতির নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত আসামীদের আইনের আওয়তায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এটাই আমার দাবি।


