শহীদ ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত: আজিজুল বারী হেলাল

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বিএনপির তথ্য সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদীর ওপর হামলা আমাদের গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি হামলার শামিল। তিনি বলেন,ওসমান হাদী একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে, তা দ্রুত খুঁজে বের করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে হাদী হত্যার বিচার দাবি করতে গিয়ে যেন কেউ দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়েও সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তেরখাদা উপজেলার পানতিতা এলাকায় বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে তালিমপ্রাপ্ত নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
দোয়া মাহফিলের শুরুতে জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতা শহীদ ওসমান হাদীকে স্মরণ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরে বিকাল সাড়ে তিনটায় মোল্লা দেলোয়ার হোসেন দিলুর নেতৃত্বে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আজিজুল বারী হেলাল। এতে সভাপতিত্ব করেন শ্রীফলতলা ইউনিয়ন সার্চ কমিটির সদস্য শরিফুল ইসলাম বকুল এবং সঞ্চালনা করেন শাহাবুদ্দিন ইজারাদার। দোয়া মাহফিলের আগে বক্তব্যে আজিজুল বারী হেলাল বলেন,সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী নন,তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক।তার সুস্থতা আজ শুধু একটি দলের নয়, গোটা জাতির প্রয়োজন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এই আপোষহীন নেত্রীর সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকা-ে ফেরাটা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।দেশের মানুষ আজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কবে দেশনেত্রী সুস্থ হয়ে আবার জাতিকে দিকনির্দেশনা দেবেন। আমরা আল্লাহর কাছে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। খালেদা জিয়ার সুস্থতা মানেই গণতন্ত্রের শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন। তিনি বলেন,শ্রীফলতলা এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে রূপসা হবে শান্তির রূপসা আচরণ ও কর্মে আলোকিত রূপসা গড়ে তুলতে হবে।বিএনপি আমাদের সম্মান দিয়েছে রূপসা থেকে খুলনার দুটি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে।আমি ৪০ বছর ধরে জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।রূপসা,তেরখাদা ও দিঘলিয়া আমার জন্মভূমি; এখানে আমি রাজনীতি নয়,আজীবন সেবা করে যাবো। এরপর মাগরিবের পর পালের বাজারে ইটভাটা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে শ্রমিকদের কথা শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল, শেখ আব্দুর রশিদ, শেখ আলী আসগর, আনিসুর রহমান আনিস, রিয়াজ মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা সেতারা বেগম, রেহেনা ইসলাম, সিনথিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, আলমগীর হোসেন লালন, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, হাবিবুর রহমান বেলাল, রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, মোশারেফ শিকদার, শিহাবুল ইসলাম সিহাব, শেখ জাহিদুর রহমান, শামিম জমাদ্দার, মর্জিনা বেগম, বোরহান উদ্দিন, লিটু প্রমুখ।



