যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যায় জামাইসহ সন্দেহভাজন গ্রেফতার

যশোর ব্যুরো ঃ যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন (৫৩) হত্যায় সন্দেহভাজন তালিকায় মেয়ে জামাইসহ দুইজনকে আটক করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি ) পুলিশ। শনিবার ৩ জানুয়ারী রাতে শহরের শংকরপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। রোববার ৪ জানুয়ারী দুপুরে পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে এক ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।আটককৃতরা হলো নিহত আলমগীরের মেয়ে জামাই শংকরপুর এলাকার সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী ওরফে জুলুর ছেলে বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার মতিন দারোগার ছেলে আসাবুল ইসলাম সাগর। ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন,যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন জমি কেনা-বেচার ব্যবসা করতেন। শনিবার ৩ জানুয়ারী সন্ধ্যার পর যশোর মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজের মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাড়ির অদূরে শংকরপুর ইসহাক সড়কে পিছন থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলে থাকা দু’জন চলন্ত অবস্থায় পিছন থেকে আলমগীর হোসেনের মাথা লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। চলন্ত মোটর সাইকেল থেকে আলমগীর হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ওই রাতেই আলমগীরের মেয়ে জামাই পরশ ও প্রতিবেশী সাগরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের সাথে আলমগীরের পারিবারিক ও ব্যবসায়ীক মনমালিন্য ছিলো। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়া সরাসরি হত্যায় জড়িতদের আটক ও অস্ত্র উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ। পুলিশের ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেলের আহসান হাবীব,যশোর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলীসহ অনেকে।
