‘হাঁস’ প্রতীকে পেলেন রুমিন ফারহানা

প্রবাহ রিপোর্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুপুরে জেলা প্রাশসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্ক্ষিত ‘হাঁস’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’ বরাদ্দ পেয়েছেন। কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না। আমি হাঁস পালতাম। নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছাড়ি নাই। আমি মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন যেভাবে চাইবেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।



