সহকারী শিক্ষক পদে মৌখিক পরীক্ষার সূচি ঘোষণা

প্রবাহ রিপোর্ট : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি সেসব জেলায় একাধিক ইন্টারভিউ বোর্ডের মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের আপলোডকৃত ছবি, আবেদনের কপি, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ; জাতীয় পরিচয়পত্র; লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র; মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীর ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে সম্পর্ক সনদের সত্যায়িত কপি; শারীরিক প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক কার্ডধারী) ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত সনদ; ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকা হলে জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিচিতি বিষয়ক সনদ; এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ন্যূনতম নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে ২৭ জানুয়ারি মধ্যে স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবশ্যিকভাবে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সকল সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি (সত্যায়িত) জমা প্রদানের সময় ওই কাগজপত্রের মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদর্শন করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় ওপরে বর্ণিত সব সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। গত ২১ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ফলাফল প্রকাশ করে, এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন। গত বছরের ৫ ও ১২ নভেম্বরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং মোট ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।



