আগামী নির্বাচনকে চ্যালঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে —এডভোকেট জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি খুলনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত এবং ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেছেন, জামায়াত একটি গণমুখী ও আদর্শবাদী রাজনৈতিক সংগঠন। দেশ ও জাতির যেকোনো ক্রান্তিকালে আমরা জনগণের পাশে থেকে তাদের কল্যাণ ও মুক্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে এসেছি। কিন্তু রাষ্ট্রের প্রয়োজন সাংগঠনিক পর্যায়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। মূলত, দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা গেলে রাষ্ট্রই সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করবে। জামায়াত একটি সুন্দর; ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বেকারত্বমুক্ত দেশ গড়ার জন্য জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারাবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিলে আমরা আমাদের কৃত অঙ্গীকার পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। তিনি আগামী নির্বাচনকে চ্যালঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী খুলনা-২ আসনের ২২ নং ওয়র্র্ডের নতুন বাজার চর, ১নং ও ২ নং কাস্টমঘাট, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, বাবু খান রোড, আলতাপোল লেনে গণসংযোগ, ২০ নং ওয়ার্ডের শেখপাড়া চামড়া পট্টীতে নির্বাচনী জনসভা ও ২৮ নং ওয়ার্ডের মহিরবাড়ির খাল পাড় মোড়ে পৃথক পৃথক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সব কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরীর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি আব্দুস সালাম, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, আমানাত উল্লাহ, ২২ নং ওয়ার্ডের আমীর আরাফাত হোসেন, সেক্রেটারি মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আরিফুল হক মোল্লা, আব্দুল জলিল, হায়দার আলী নিরু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
খুলনা-২ আসনের এই প্রার্থী আরও বলেন, জামায়াত দেশকে একটি মডেল রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য দীর্ঘ পরিসরে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। এ মহতি কাজ সম্পাদনের জন্য একদল আদর্শ ও চরিত্রবান লোক তৈরি করার কোনো বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা ইতোমধ্যে এমন একটি শ্রেণি বা জনগোষ্ঠী সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি যারা দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আল্লাহর আইন ও সৎলোকের শাসন প্রতিষ্ঠায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছেন। মূলত, তারা সকল শ্রেণির মানুষের বিবেচনায় আমানতদার, প্রশংসনীয়, আমলদার, দায়িত্ববান এবং ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের চর্চাকারী হিসেবে গড়ে উঠতে সচেষ্ট। তিনি ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে প্রতি ঘরে ঘরে ইসলামের সুমহান আদর্শের দাওয়াত ও ন্যায়-ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোট প্রার্থনার আহবান জানান।



