তারা জিতলে কেউ নিরাপদ থাকবে না: জামায়াত আমির

প্রবাহ রিপোর্ট : বিএনপিকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এক দিকে ফ্যামেলি কার্ড, অন্যদিকে মহিলাদের গায়ে হাত, দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না। এটিই বার্তা, তারা জিতলে কেউ নিরাপদ থাকবে না। গতকাল মঙ্গলবার সকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়েজনে এই জনসভা হয়। বিএনপিকে উদ্দেশ করে জামায়াতের আমির বলেন, যারা নিজেদের দলকে সামলে রাখতে পারে না, কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে না সেই দল যতবড় দলই হোক তাদের কাছে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। আপনারা দেশ গড়ার আগে; নিজের দলকে গড়েন ভালো করে। এতে দেশ লাভবান হবে; আপনারাও লাভবান হবেন। এই ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা দরকার হলে সেটাও আমরা করবো। তার পরেও আল্লাহর ওয়াস্তে শৃঙ্খলার দিকে আসেন। দল হিসাবে জামায়াত সহকর্মীদের সামলিয়ে রাখতে পারে, সেই দলই বাংলাদেশকে সামলে রাখতে পারবে। গণভোট নিয়ে বাহ্যিকভাবে যাই হোক, ভেতরে ভেতরে একটি দল নাখোশ মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই গণভোট হলে ফ্যাসিবাদী কায়েম হবে না। গণভোট হলে কারও সম্পদের ওপর হাত দেওয়া যাবে না। এই গণভোট হলে দলীয় চাঁদাবাজির রমরমা ব্যবসা চলবে না। সেই জন্য কেউ কেউ গণভোটে সন্তুষ্ট না। বাহ্যিকভাবে যাই হোক, ভেতরে ভেতরে তারা নাখোশ। কিন্তু তারা মুখ খুলে বলতে পারছে না। কারণ ১৮ কোটি মানুষ গণভোটের পক্ষে। ১৮ কোটি মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাই। গণভোটে হ্যাঁ মানেই আজাদী, গণভোটে না মানে গোলামী। ১২ তারিখ প্রথম ভোটটা পড়বে গণভোটের হ্যাঁ পক্ষে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দল হিসেবে একমাত্র মজলুম দল জামায়াতে ইসলামী মন্তব্য করে বলেন, মজলুম দল হিসাবে আর একটি নাই জামায়াতের মতো। যে যত চিৎকার দিক না কেন; লাভ হবে না। ক্রমান্বয়ে শীর্ষ ১১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অনেকেই ফ্যাসিসের অনুমতি নিয়ে মিটিং করেছে। আমরা অনুমতিও নেয়নিও। মজলুম অবস্থায় যেখানেই পেরেছি; সেখানেই প্রতিবাদ করেছি। জুলাই আন্দোলনের পরে মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি নির্যাতন করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা হাজার হাজার মামলা করেনি। আমাদের মামলার আসামি সর্বোচ্চ আসামি ৯৮ জন। কিন্তু আমাদের কিছু ভাই মামলা করেছে হাজারে হাজার। আরও আছে অজ্ঞাত। এগুলো দিয়ে মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে। মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। এটা আমরা নিন্দা জানাই। এটা বিচারকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ধরনের মামলা বাণিজ্য করতেও চাই না, দেখতেও চায় না। এসবের মুক্তির জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। তিনি বলেন, সিন্ডিকেট মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সিন্ডিকেট গোটা বাংলাদেশকে অবশ করে দিয়েছে। এই সিন্ডিকেটের হাত গুঁড়িয়ে দেবো। চাঁদাবাজি করা লাগবে না; চাঁদাবাজদের বুকে টেনে নিয়ে তাদের হাতে কাজ দিয়ে দেবো। যারা এসব চাঁদাবাজদের বিপথে নিয়েছে, তাদেরকেও সুপথে নিয়ে আসবো। সুপথে এসে সবাই দল করুক। যশোরের বিভিন্ন দাবি দাওয়া প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির বলেন, আমাদের প্রতীক দাড়িপাল্লা, পাল্লার মাপে কোনো কম বেশি করবো না, যার যা প্রাপ্য তা বুঝে দেবো। এ সময় তিনি ক্ষমতায় গেলে যশোরকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন। যশোর জেলা জামায়াতের আমি গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাও. আজিজুর রহমান, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, অঞ্চল টিম সদস্য ড. আলমগীর বিশ্বাস, নড়াইল জেলা আমির আতাউর রহমান বাচ্চু, মাগুরা জেলা আমীর এম বি বাকের, বিশিষ্ট আইনজীবী ও যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাড. গাজী এনামুল হক, যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের, যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মুক্তার আলী, মাও. হাবিবুর রহমান, যশোর জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, শহীদ আব্দুল্লাহ পিতা আব্দুল জব্বার, খেলাফত মজলিস যশোর জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ, এনসিপি দক্ষিণ অঞ্চল সংগঠক সাকিব শাহরিয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা সেক্রেটারি, মাও. মাসুম বিল্লাহ, এনসিপি কেন্দ্রীয় সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল, এনসিপি জেলা প্রধান সমন্বয়কারী, নুরুজ্জামান প্রমুখ।
৫৪ বছরে দুঃশাসন ও দুর্নীতিতে দেশ তলিয়ে গেছে: গত সোমবার দুপুরে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তার দল ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন নয়, বরং তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে- যাতে তারা আর চাঁদাবাজিতে জড়াতে না পারে। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশকে তলিয়ে দেওয়া হয়েছে। একক কোনো দলকে দায়ী করা যায় না। অতীতে যারা শাসন করেছেন, তাদের মধ্যে কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না যে তারা সততার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত মেহেরপুর-১ আসনের প্রার্থী তাজ উদ্দিন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনের প্রার্থী নাজমুল হুদা’র সমর্থনে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, মেহেরপুর ছোট জেলা হলেও চাঁদাবাজদের দখলে চলে গেছে। জনগণের রায়ে জামায়াত ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজদের দায়িত্ব নেওয়া হবে এবং তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ মানে স্বাধীনতা, না মানে দাসত্ব। আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট। সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে দেশ বিজয়ী হবে। ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ ভোট ডাকাতি করতে গেলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ডা. শফিকুর রহমান গত ৫৪ বছরের শাসকদের সমালোচনা করে বলেন, এত বছরে দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, তরুণ সমাজ মাদকসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। দায়িত্ব পেলে দেশকে “ফুলের মতো সাজাবো” বলেও আশ্বাস দেন তিনি। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান, বলেন- জামায়াত চাঁদাবাজি করবে না, দুর্নীতি করবে না এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না। বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভাতা দিলে বেকারত্ব কমে না, বরং বাড়ে। ভাতা নয়, কাজ দেওয়া হবে। জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান দুই আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় নির্বাচনি প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতা কামনা করেন। মেহেরপুরবাসীর কাছে ভোট দিয়ে প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সাতক্ষীরার সঙ্গে সৎ মায়ের মতো আচরণ করা হয়েছে: গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অপরাধ ও অন্যায় করা হয়েছে সাতক্ষীরায়। দেশের আর কোনো জেলায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়নি। বুলডোজার দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ঘর ভাঙা হয়েছে। তারা কি কোনো অপরাধ করেছিল? ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৫ সালে সাতক্ষীরায় এসেছিলাম। মোটরসাইকেলে ঘুরে ঘুরে দেখার চেষ্টা করেছিলাম। সেদিন ঘুরতে আসেনি। এসেছিলাম দ্বীনদার ও ঈমানদার ৪৫ জন শহীদের পরিবারের খোঁজ নিতে। তাদের মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে এসেছিলাম। যেসব মা ও বোনদের বিধবা করা হয়েছিল, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। যেসব শিশু বাবাকে হারিয়ে অন্ধকার দেখছিল, চেয়ে চেয়ে দেখছিল-আমাদের বাবা আসছে না কেন-তাদের চোখের পানি মুছিয়ে দিতে এসেছিলাম। যেসব যুবকের হাত-পা কেটে নেওয়া হয়েছিল, আমি তাদের প্রশ্নের অংশীদার হতে এসেছিলাম। তাদের মায়ের চোখের পানি দেখেছি, রক্তের ফোঁটা দেখেছিলাম। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলায় সফরের সময় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি বঞ্চনা ও অবহেলার অভিযোগ শুনেছেন। অনেকেই বলেছিলেন, সরকার সাতক্ষীরাকে দেশের অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেয়নি। এই জেলার সঙ্গে সৎ মায়ের মতো আচরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণেই সাতক্ষীরাকে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তারা ভেবেছিল এই অবস্থা চিরকাল থাকবে। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মান দেন, আর যাকে ইচ্ছা সম্মান কেড়ে নেন। শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত রাজনৈতিক দল। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুম করা হয়েছে, অনেককে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। দলের নিবন্ধন ও প্রতীক বাতিল করা হয়েছে এবং একপর্যায়ে দল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বহু মানুষকে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরার মানুষের সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি, ইনসাফের পক্ষে যারা থাকে, আল্লাহ শেষ পর্যন্ত তাদের সম্মান দেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ তারিখে আল্লাহ যখন আমাদের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়েছেন, তখন আমরা সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছি। জননিরাপত্তা রক্ষায় নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালনের কথা বলেছি। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বা রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করা যাবে না। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি শুরু করেনি। অন্যায়ভাবে কাউকে মামলা দেওয়া হয়নি। যারা অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিএনপিসহ অন্য বিরোধী দলও গত ১৫ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিক, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেক সময় জুলুমের শিকার মানুষই পরে জালিম হয়ে যায়। তাই ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের সরকার গঠনের লক্ষ্যে সমর্থন চান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মদিনা সনদের আদলে সুশাসন প্রতিষ্ঠাই তাদের লক্ষ্য। ডা. শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিতদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে এবং যারা দেশের জন্য অধিক সময় দায়িত্ব পালন করেন, তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা হবে। ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট মানে দুটি পথ-হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ মানে স্বাধীনতা, না মানে পরাধীনতা। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণ সমাজ পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার চারটি আসনে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। সমাবেশে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জতউল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনের প্রার্থী রবিউল বাশার ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম। এ ছাড়া ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান।



