স্থানীয় সংবাদ

খুলনায় শীতের শেষ মুহুর্তে জমজমাট মৌসুমী পিঠা ব্যবসা

শেখ ফেরদৌস রহমান : শীতের শেষ মুহুর্তে নগরীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে হরেক রকম পিঠা বিক্রির শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এসব পিঠার দোকানে পিঠা নেয়ার জন্য ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। এমনকি পিঠা নেয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। মূলতঃ শীতের মৌসুমী পিঠা ব্যবসায়িরা বিশেষ করে হতদরিদ্র, নি¤œ আয়ের মানুষেরা এই পিঠার ব্যবসা করে ভালো লাভবান হচ্ছে। এমনকি বেকার যুবকেরাও এই মৌসুমী পিঠা ব্যবসা করে বাড়তী উপার্জন করছে। বিশেষ করে শীতের মধ্যে মাটির চুলায় তৈরি গরম গরম চিতই পিঠা আর ভাপা পিঠা বেশি চাহিদা ক্রেতাদের। দেখা যায় নগরীর জাতিসংঘ পার্কের সামনে, টুটপাড়া, বাবু খান রোড, রূপসা, জেলখানা গেটের আশেপাশে পাশে, শিববাড়ী মোড় নতুন রাস্তা,খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল মোড়, পাবলা, দৌলতপুর সহ ভিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় চলছে পিঠা বিক্রি। বিশেষ করে চিই পিঠার চাহিদা বেশি কথা ক্রেতা আমিনুল এর সাথে তিনি বলেন, ব্যাস্ত সময়ে বাসায় পিঠা তৈরি অনেক ঝামেলা পাচ টাকা করে প্রতি পিচ বিঁশ পিচ পিঠা নিব। বাসায় খেজুরের রস আছে একটু ভিজানো চিতাই পিঠা তৈরি করতে এই পিঠা নিতে এসছি। তবে, আমি এসে দেখছি আমার আগে আরও চার থেকে পাঁচজন আছে সিরিয়ালে। অপেক্ষায় আছি আমার কখন সিরিয়াল আসে। এছাড়া ক্রেতা মাসুম হোসেন বলেন, বিকালে বাড়তী নাস্তার জন্য শুকনা গরম চিতই পিঠা আর ঝোলা গুড়, বা সরিষাবাটা দিয়ে খেতে ভালোই লাগে। আর কয়েকদিন পর শীত মৌসুম চলে যাবে এর পর আর পিঠা খাওয়া হবেনা। এছাড়া দশ পনেরো টাকা খরচে স্বাস্থ্য সম্মত পিঠা খেয়ে শরীর মন ভালো লাগে। এছাড়া ক্রেতা মাইমুন বলেন, আমি গরম ভাপা পিঠা খেতে এসছি খুব ভালো স্বাদ গরম, গরম, নারকেল আর খেজুরের গুড়ের ভাপা পিঠা খেতে ভালোবাসি। এ বিষয়ে কথা হয় বিক্রেতা সাহেব আলীর সাথে তিনি বলেন, আগে ভাংড়ি ব্যবসা করতাম ভ্রাম্ম্যমান ভ্যানে করে। শীতের সময় পিঠা ব্যবসা করছি। চালের গুড়া দিয়ে চিতই পিঠা আর ভাপা পিঠা। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয়। আমার স্ত্রী ও ছোট ছেলে সবাই মিলে এই পিঠা তৈরি ও বিক্রি করছি। এছাড়া কথা হয় বিক্রেতা মাহমুদা বেগমের সাথে তিনি বলেন, লোহার ছোট পিঠা তৈরির ছাচ আর মাটির চুলায় পিঠা তৈরি করছি। আমার স্বামী নেই অনেক আগে মারা গেছে। আমার সাথে আমার নাতী সহযোগীতা করে। শীতের সময়ে ভালোই বেচা-কেনা হচ্ছে। ক্রেতাদের ভালোই ভিড়। বিশেষ করে বাড়তী একটা উপার্জন হচ্ছে। আর কয়েকদিন আছে পিঠা বিক্রি করা যাবে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button