২২ বছর পর সোমবার খুলনায় আসছেন তারেক রহমান ঃ খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টারঃ দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। অবশেষে খুলনার মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই খবরে খুলনার রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। নগরজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আবেগ, উদ্দীপনা ও প্রত্যাশা। মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আগামীকাল সোমবার খুলনা নগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে বিশাল নির্বাচনী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। দীর্ঘ দু’ দশকেরও বেশি সময় পর খুলনার মাটিতে এটি হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচি। সোমবার সকাল ১০টায় খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে এই জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার রাতে খুলনা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। কে সভাপতিত্ব করবেন তা এখন ঠিক হয়নি। তবে সমাবেশ সফল করার লক্ষে কমিটি গঠন করা হবে। তখন সিদ্ধান্ত হবে সমাবেশে কে সভাপতিত্ব করবেন।
শুক্রবার রাতের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল, কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী আলি আসগর লবিসহ মহানগর ও জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর, জেলা এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এই সমাবেশকে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী সমাবেশে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আনুমানিক ৮ লাখ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে সমন্বয়, আবাসন, শৃঙ্খলা, মিডিয়া ব্যবস্থাপনাসহ ছয়টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে আনা হবে বিশাল মঞ্চ ও আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। ইতোমধ্যে নগরী ও জেলায় মাইকিংসহ প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. শফিকুল আলম মনা বলেন, “তারেক রহমানের খুলনা আগমন কেবল একটি নির্বাচনি কর্মসূচি নয়, এটি নেতাকর্মীদের সাহস ও মনোবল ফিরিয়ে আনার মুহূর্ত। ২২ বছর পর প্রিয় নেতাকে নিজ শহরে দেখতে পাওয়া আমাদের জন্য আবেগ ও গর্বের।” তিনি বলেন, খুলনা ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সফর দলের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন ও ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
