২০১৪ সালে প্রথম একতরফা নির্বাচন : নগর বিএনপির আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ গেল দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালে ৫ জুন বিএনপিকে সাইড করে একতরফা ভাবে নির্বাচন করে তৎকালিন আওয়ামলীগ সরকার। যার মধ্যে মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিন্দ্বতিতায় নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য বনে যান। বিএনপির নেতা কর্মির উপর চালানো হয় নির্যাতন হামলা আর মামলা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনির পরিচয়ে সারাদেশে বিএনপি নেতা আর কর্মিরা গায়েবী মামলা আর করাবরণ করতে হয় কর্মিদের। তৎকালিন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ীর সামনে বালুর ট্রাক আর হাজার হাজার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনি মোতায়েন করা হয়। খুলনায় চলে প্রতিবাদ মিছিল। তৎকাীলন সংসদ সদস্য খুলনা দুই আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু জেলা বিএনপি’র সভাপতি .শফিকুল আলম মনা সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ কর্মিরা এসব অন্যায় বিরুদ্ধে রাজপথ বেছে নেন। তবে আওয়ামলীগ সরকারের পেটোয়া বাহিনি আর তাদের নেতাদের হামলা, গোয়েন্দাদের নিয়ে বিএনপি’র কর্মিদের তালিকা করে গায়েবী মামলা দেয়া সহ বিভিন্ন নির্যাতনে এক সময়ে বিএনপির আন্দালনে ধীর গতি আসে। এ বিষয়ে কথা হয় খুলনা সরকারী বিএল কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি রিয়াজ সাহেদের সাথে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে আগেই আমার বিরুদ্ধে এক এক করে প্রায় ১৯টি মামলা হয় যা এক পর্যায়ে ৩০ টা পর্যন্ত গড়ায়। প্রথম দিকে স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান আমার বিরুদ্ধে প্রথম রাজনৈতিক মামলা দেন । আমাকে দুই বার হত্যা করার জন্য গুলি করা হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালে ও গুলি করে। বাড়ীতে ঘুমাতে পারিনি। ছয়মাস করাবরণ করে আবার বাড়ীতে আসলে দেয়া হতো মামলা। বেশ কয়েকবার ক্যাম্পসে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছি। মিছিল শুরু করব এর মধ্যে পুলিশ দিয়ে ও ছাত্রলীগের হামলা স¤œুখিন হয়েছি। আওয়ামলীগের সময়ে শেখ সোহেলের বন্ধু ক্জাী ফয়েজ মাহমুদ খালিশপুরের ্আওয়ামলীগের সভাপতি নান্নু সাধারণ সম্পাদক বাশার ও মহানগর সাংগঠানিক সম্পাদক আশরাফ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। এছাড়া কথা হয় সাবেক ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভপতি আসাদুজ্জামান মুরাদের সাথে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের আমলে মোট ৬৩ টি মামলা হয়েছে। আমাকে বাড়ীতে না পেয়ে পুলিশ আমার বড় ভাইকে পিঠিয়েছে পিটিয়ে তার হাত পা ভেঙ্গে ফেলেছে। কতবার কারাবরণ করেছি জানিনা বা তার কোন হিসাব নেই। বাড়ীতে ঘুমাতে পারিনি। গ্রামের মধ্যে মৎস ঘেরে শীতের মধ্যে ঘুমাতে হয়েছে। বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হতো। আমার ছেলে আপন আমাকে জড়িয়ে ধরত বাবাকে খুব মিস করত। তারপরও আমরা পিছু হটিনি। মঞ্জু ভাইয়ের নেতৃত্ব প্রতিদিন নগরীতে মিছিল সমাবেশ চালিয়ে গেছি। পেটোয়া বাহিনীর অত্যাচারেও আমরা থেমে থাকিনি।



