স্থানীয় সংবাদ

ওয়াসা-কেসিসির রশি টানাটানিতে নগরবাসীর গলায় ফাঁস

# শিববাড়ী থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত (মজিদ সরণীর) বেহাল সড়কে চলাচলে পথচারীসহ নগরবাসীর নাভিশ^াস উঠছে #
# ধূলার কবলে পড়ে শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, বাতাসে কুয়াশার মতো উড়ছে ধুলা #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনাকে আধুনিক নগরীর রূপ দিতে খুলনা সিটি কর্পোরেশন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা ওয়াসা, সড়ক ও জনপদ বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো শহরে সারা বছর ধরে উন্নয়নের কার্যক্রম চলমান রেখেছে। সারা শহরে সংশ্লিষ্টদের এই উন্নয়ণের কর্মযজ্ঞ এখন অনেকাংশে নগরবাসীর দূর্ভোগের কারণ। তবে কে ভাঙ্গা সড়কটি মেরামত করবে? সিটি কর্পোরেশন নাকি ওয়াসা এই নিয়ে চলছে রশি টানাটানি যা নগরবাসীর গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে খুলনা ওয়াসা ২ হাজার ৩’শ ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর ১৭-৩১ নং ওয়ার্ডে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রেখেছে। ওই প্রকল্পের আওতায় মজিদ সরণী সড়কে (শিববাড়ী মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা মোড়) পর্যন্ত কাজ শেষ হলেও, সড়কের অধিকাংশ জায়গায় খোঁড়াখুঁড়িতে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনার এই গুরুত্বপূর্ন সড়কটি এখন ধূলার রাজত্বে পরিবেশ এখন হুমকির মুখে পড়ছে। ওই সড়ক ধরে ছুটে চলা কর্মব্যস্ত নগরবাসীর ধূলা-বালূর কবলে পড়ে চরম নাভিশ^াস উঠেছে। মুখে রোমাল, টিস্যুৎ বা হাত চেপে ধরেও মিলছেনা পরিত্রান। এছাড়া খুলনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন মজিদ সরণী সড়কে সোনাডাঙ্গা আবাসিক ফেজ, হাসপাতাল, শপিংমল, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধূলার কবলে হাঁফিয়ে উঠেছে, সড়কে বাতাসে উড়ে বেড়াতে ধূলা দূর থেকে দেখলে কুয়াশার মতো মনে হচ্ছে। ওয়াসার খোড়াখুড়িতে সৃষ্ট ধূলা-বালূ একদিকে যেমন চলাচলে দূর্ভোগ সৃষ্টি করছে, অপরদিকে, শ্বাসকষ্টসহ নানা বায়ূবাহিত রোগের সৃষ্টি করছে। তাছাড়া বেহাল ও ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক দিয়ে দিনজুড়ে যানবাহন গুলো যেমন একদিকে হাফিয়ে ওঠছে, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে অন্যদিকে, পথচারীসহ সর্বস্তরের সাধারন মানুষও দুর্ভোগে পড়ে সীমাহীন কষ্ট ভোগ করছে।
সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ বলছেন, উন্নয়ন প্রকল্প মানুষের স্বস্তির জন্য, ভোগান্তির জন্য নয়। কিন্তু খুলনা মহানগরীতে দীর্ঘ সময় ধরে উন্নয়ন প্রকল্পের যে কাজ চলমান রয়েছে তা নগরবাসীর স্বস্তির বিপরীতে দুর্ভোগ বহুগুনে বাড়াচ্ছে। এতে শহরে স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে, বিশেষ করে বর্ষায়। নাগরিক নেতারা বলছেন, অপরিকল্পিত উদ্যোগ ও সমন্বয়হীনতার কারণেই সমগ্র শহরে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি লেগেই থাকে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ণে দীর্ঘসূত্রতা ও সমন্বয়হীনতা ও দায়বদ্ধহীনতার কারণে সময় এবং অর্থ দুটোই অপচয় হচ্ছে। মজিদ সরনীর বিষয়ে তারা বলেন, বিষয়টি যাদের দেখার কথা তারা, কেবল তাদের কার্যক্রম খাতে-কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। সড়কটি দিয়ে ছুটে চলা ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, খুলনায় উন্নয়নের নামে সারা বছর ধরে খোড়াখুড়ি চলে, তার ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের। নগরবাসীর জনদূর্ভোগ এড়াতে বর্ষাকালে উন্নয়নমূলক কাজের কথা থাকলেও চলে সারা বছর ধরে। অপরিকল্পিত কর্মকা-, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া এসব বিবিধ কারণে দূর্ভোগ আমাদের পিছু ছাড়ছেনা। বিশেষ করে সম্প্রতি সময়ে মজিদ সরণীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি খুড়ে সম্পূর্ণ চলাচলে অনুপযোগী করে রেখেছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। ভুক্তিভোগীরা, বেহাল সড়ক মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনার পাশাপাশি ধূলা হতে পরিত্রান পেতে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার সহযোগীতাও কামনা করেছেন।
খুলনা ওয়াসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মজিদ সরণী (শিববাড়ী মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা মোড়) পর্যন্ত কাজ ইতোমধ্যে আমরা শেষ করেছি। সড়কে কিছু জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ির কারণে শুষ্ক মৌসুম হওয়ার দরুন ধূলা বালি বাতাসে ওড়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এ কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্ভোগ দূর করতে প্রতিদিন পানি ছেটানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পানি ছেটালে আবার পানি-কাদা জমা হয়ে আরেক দুভোর্গ সৃষ্টি হবে, এজন্য পরিমিত পানি ছেটানো হচ্ছে। ওয়াসার কাজ করার পর সড়ক মেরামতের কাজের কি হবে এ প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, সড়ক মেরামতের কাজ সিটি কর্পোরেশন নিজেরাই করছে। এর জন্য আমরা তাদেরকে মোটা অংকের অর্থ পরিশোধও করেছি। কিন্তু তারা এখন মজিদ সরণীর মেরামতের কাজ করার ডবল রেট চাচ্ছে যা এখন দিতে গেলে এডিবি’র প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। বলা বাহুল্য, দু’মাস আগে একটা মিটিংয়ে ওয়াসাকে দায়িত্ব দেয় তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার। তবে নতুন বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় চাচ্ছেন মেরামতের কাজটি কেসিসি করুক। তিনি বলেছেন, মন্ত্রানালয়ের দিক নির্দেশনা অনুসারে, তারা যেভাবে বলে সেভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি আরো জানান, কেসিসির আমরা যতটুকু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ করেছি, সে পরিমান ক্ষতিপূরন দেব। তারা অন্য সড়কের যে রেটে ক্ষতিপূরণ নিয়েছে সেই রেটেই মেরামত করে দিক কিন্তু তারা তা করবে না।
অপরদিকে কেসিসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে বসে যৌথ সিদ্ধান্ত হয়ে মজিদ স্মরনীর ক্ষতিগ্রস্থ সড়কটি ওয়াসা মেরামত করে দেবে, এ জন্য তাদের চিঠিও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই বাবদ তাদের সরকারি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ ও দেওয়া হয়েছে এবং ওয়াসাকে এই মর্মে চিঠিও দিয়েছি যে, সিটি ইনের পাশে বিজয়গাথা কমিউনিটি সেন্টার থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত মেরামতের কাজ ওয়াসা করবে।
ইজিবাইক চালক শরিফুল জানান, শিববাড়ী হয়ে প্রতিদিন গল্লাামারি পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করি। খুলনা ওয়াসা বলতে গেলে সারা বছর ব্যাপী শিববাড়ী মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত খোড়াখুড়ি করেছে। এখন তাদের কাজ শেষ হলেও রাস্তার বেহাল অবস্থা, যেখানে সেখানে ভাঙা। তাছাড়া প্রচুর পরিমাণে ধুলাবালূ ওড়ে বেড়াচ্ছে। মুখে রোমাল বা হাত চেপে না ধরে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করা যায় না। আমরা কাদের বললো এসমস্যার কথা।
পথচারী মো. হামিম তালুকদার বাবু জানান, খুলনায় উন্নয়ন হচ্ছে এটা ভালো দিক। তবে জন দুর্ভোগ সৃষ্টি করে উন্নয়ন, মানা যায় না। অপরিকল্পিত উদ্যোগের কারণেই সাধারন মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মজিদ সরণী (শিববাড়ী মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা মোড়) পর্যন্ত খৃুলনা ওয়াসা যে কাজ করেছে, এটা খুলনাবাসীর জন্য সুবিধা দিলেও, বর্তমানে ওই সড়কের যে অবস্থা, সম্পূর্ন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোনো শ্বাসকষ্টের রোগী ওই সড়ক দিয়ে গেলে এমনিতেই মারা যাবে, এতো ধূলাবালি। এখন কবে সড়কটি সংস্কার করা হবে এটাই জিজ্ঞাসা।
চাকুরীজীবি মো. সোহেল রানা জানান, আমি গাজী মেডিকেল হাসপাতালে চাকুরী করি। প্রতিদিন কাজে আসতে হয়। সাদা শার্ট পরে আসলে ধুলায় কালো হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া প্রতিদিন ধূলা খেতে খেতে কাশিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছি। এ বিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই।
ওই সড়কের ওষুধ ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান জানান, ধূলাবালূতে গোটা দোকান শেষ। ওষুধের উপর ময়লা পড়ে পড়ে জমাট বেধে গেছে। কত বার আর এভাবে মুছে পারা যায়। ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ঠিকই রাস্তা খুড়েছে, এখন মেরামত করার সময় খবর নাই। বিকালে কোনো রকম পানি ছেটায়, এতে সামান্য মুক্তি মিললেও আবার দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনার সাঃ সম্পাদক এড. কুদরত-ই-খুদা জানান, প্রথমত, খুলনায় সারা বছর ধরে জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে বিভিন্ন দপ্তরের উন্নয়নের যে কর্মকা- চলে, আমার ভাষায় এটি একটি অপরিকল্পিত উদ্যোগ। দ্বিতীয়ত, দপ্তর গুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। যে যখন ইচ্ছা তখন শহরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি করে উন্নয়নের কাজগুলো করছে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা থাকলে, দূর্ভোগের কথা চিন্তা করে তারা স্বেচ্ছায় সমন্বয় করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতো। প্রতিটি কাজের একটা মৌসুম আছে, মেয়াদ আছে। বিশেষ করে শুকনা মৌসুমে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করলে জনগণের দুর্ভোগ কমবে। যারা সরকারী, শায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, তারা নিজেদের জনগণের কর্মী মনে করেন না, এ কারণে শহর থেকে অপরিকল্পিত উদ্যোগে জনগণের দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছেনা, কারণ তারা জনগণের কথা ভাবলে, আগেই দুর্ভোগের কথা ভাবতেন।
এ ব্যাপারে খুলনা ওয়াসার প্রকল্প পরিচালক খান সেলিম আহম্মদ জানান, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মজিদ সরণী (শিববাড়ী মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা মোড়) পর্যন্ত কাজ ইতোমধ্যে আমরা শেষ করেছি। সড়কে কিছু জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ির কারণে শুষ্ক মৌসুম হওয়ার দরুন ধূলা বালি বাতাসে ওড়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এ কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্ভোগ দূর করতে প্রতিদিন পানি ছেটানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পানি ছেটালে আবার পানি-কাদা জমা হয়ে আরেক দুভোর্গ সৃষ্টি হবে, এজন্য পরিমিত পানি ছেটানো হচ্ছে। ওয়াসার কাজ করার পর সড়ক মেরামতের কাজের কি হবে এ প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, সড়ক মেরামতের কাজ সিটি কর্পোরেশন নিজেরাই করছে। এর জন্য আমরা তাদেরকে মোটা অংকের অর্থ পরিশোধও করেছি। কিন্তু তারা এখন মজিদ সরণীর মেরামতের কাজ করার ডবল রেট চাচ্ছে যা এখন দিতে গেলে এডিবি’র প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। বলা বাহুল্য, দু’মাস আগে একটা মিটিংয়ে ওয়াসাকে দায়িত্ব দেয় তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার। তবে নতুন বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় চাচ্ছেন মেরামতের কাজটি কেসিসি করুক। তিনি বলেছেন, মন্ত্রানালয়ের দিক নির্দেশনা অনুসারে, তারা যেভাবে বলে সেভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি আরো জানান, কেসিসির আমরা যতটুকু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ করেছি, সে পরিমান ক্ষতিপূরন দেব। তারা অন্য সড়কের যে রেটে ক্ষতিপূরণ নিয়েছে সেই রেটেই মেরামত করে দিক কিন্তু তারা তা করবে না।
এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো.মশিউজ্জামান খান জানান, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে বসে যৌথ সিদ্ধান্ত হয়ে মজিদ সরনীর ক্ষতিগ্রস্থ সড়কটি ওয়াসা মেরামত করে দেবে, এ জন্য তাদের চিঠিও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই বাবদ তাদের সরকারি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ ও দেওয়া হয়েছে এবং ওয়াসাকে এই মর্মে চিঠিও দিয়েছি যে, সিটি ইনের পাশে বিজয়গাথা কমিউনিটি সেন্টার থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত মেরামতের কাজ ওয়াসা করবে। এখন তারা কেন মেরামতের কাজ করছে না তাদের কাছে জানতে চান।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক খন্দকার মো. ফজলুল হক জানান, বর্ষার সময়ে চলমান উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলে ধূলা-বালূর দুর্ভোগ কম হয়, তবে শুষ্ক মৌসুমে এ চলমান উন্নয়নমূলক পরিচালিত হওয়ার দরুন জনসাধারনের ভোগান্তি বেড়েছে। যে বিষয়ে অবগত করা হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিস্টদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button