স্থানীয় সংবাদ

নারী ভোটাররা অধিকাংশই হ্যাঁ ভোট কি আর না ভোট কি জানেনা

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ আর মাত্র এক দিন পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। খুলনায় মোট ৬টি আসনে পুরুষ ভোটারে তুলনায় বেশি নারী ভোটার। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন অফিসের তথ্যমতে খুলনায় নারী ভোটার আছে মোট ১০ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭৪ জন। যা পুরুষ ভোটারদের তুলনায় দশ হাজারের বেশি। তবে গেল কয়েকটি নির্বাচনের থেকে এবারে নির্বাচনটি ভিন্ন।এবারে নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিকের পাশাপাশি রয়েছে হ্যাঁ ভোট কি আর না ভোট কি এ সম্পর্কে আর ভোট দিলে কি হবে অনেকে নারী ভোটার জানেনা। তবে প্রায় নারী ভোটাররা বলছে হ্যাঁ ভোট মানে দেশ পরিবর্তন হবে। নতুন কিছু অধ্যায় দেশের সংবিধানে যোগ হবে। খুলনা তেরখাদা ছাগলাদাহ এলাকায় কথা হয় গৃহবধূ আফসানার সাথে কথা হয় তিনি বলেন, হ্যাঁ আর না ভোট সম্পর্কে খুব ভালো জানিনা তবে, হ্যাঁ ভোট দিলে যারা ছাত্রদের মারিছে তাদের বিচার হবে। এছাড়া কিছু জানিনা। এছাড়া খুলনা খালিশপুরে নারী শ্রমিক বলেন, হ্যাঁ তে ভোট দিলে হাসিনার বিচার হবে। আর ছাত্ররা ভালো চাকুরী পাবে। না ভোট দিলে হাসিনা আবার আসবে আমি এত টুক জানি। এছাড়া বৃদ্ধা হামিদা বেগম বলেন, ভোট দুইবার দেয়া লাগবে আমি জানিনা। আমি আমার পরিবারের সাথে কথা বলব আর হ্যাঁ,না ভোট দিলে কি হবে আমি জেনে বুঝে ভোট দিব। তবে বিষয়টি নিয়ে খুলনা জেলা প্রাশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ.স.ম. জামসেদ খোন্দকার বলেন, আমরা প্রথম থেকে মন্ত্রানালয়ের কতৃক নির্দেশনা অনুযায়ী গণভোট সম্পর্কে বিভিন্ন সরকারী অফিসসহ জেলা, উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন, পাড়া-মহল্লা পর্যায়ে গণভোট সম্পর্কে ধারণা দিয়েছি। যে এবছর আপনারা দুটি ভোট দিবেন। আর হ্যাঁ ভোটের মধ্যে কি আছে আর না ভোটে কি থাকবে। তবে গণ ভোটে কোনটিতে ভোট দিবেন আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এছাড়া ২১ জানুয়ারীর পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রার্থীরা ডোর টু যেয়ে হ্যাঁ আর না ভোট সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে। পাশাপাশি ভোট কেন্দ্রেতে দুটি ব্যালট পেপার থাকবে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা দুটি ব্যালট পেপার দিয়ে দেবেন ভোটারদের। তবে ত্রয়োদশ নির্বাচন এবছর হ্যাঁ ভোটে যা আছে তা হলো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে। সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে একমতো হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ নিশ্চিত করিতে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে। জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button