খুলনা-৪ আসনে বিজয়ের পর হেলালকে মন্ত্রী করার দাবি; তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেতাকর্মীরা

তেরখাদা প্রতিনিধি : খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিজয়ের পর তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলার ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে এলাকায় আলোচনা থামছে না। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, এ তিন উপজেলার ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনেই বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালের জয় নিশ্চিত হয়েছে। এখন তাদের প্রত্যাশা দল সরকার গঠন করলে হেলালকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হোক।
দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে হেলালের নামও ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা হয়নি। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সিদ্ধান্তের ওপর।
রূপসা উপজেলার বাসিন্দা ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু বলেন, “আমাদের অঞ্চলের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রত্যাশা রয়েছে। হেলাল ভাইকে যদি মন্ত্রী করা হয়, তাহলে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ার সার্বিক উন্নয়নে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সৌদি আরবপ্রবাসী তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা খান সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা তেরখাদাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছি হেলাল ভাইকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা নিয়েই। তিনি শুধু রূপসার নন, পুরো খুলনা বিভাগের একজন যোগ্য নেতৃত্ব। তাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। তেরখাদা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোহাগ মুন্সীও একই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আমাদের নেতা আজিজুল বারী হেলালও থাকতে পারেন বলে আমরা আশা করছি। তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়ার মানুষ তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, এলাকাবাসী আমাকে উন্নয়নের প্রত্যাশায় ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছেন। তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে মন্ত্রী করা হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, তা জানা যাবে। আগাম কাউকে মন্ত্রী হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। এদিকে খুলনা-৪ আসনে বিজয়ের পর স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত অপেক্ষার বার্তা দিচ্ছেনখুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিজয়ের পর তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলার ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে এলাকায় আলোচনা থামছে না। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, এ তিন উপজেলার ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনেই বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালের জয় নিশ্চিত হয়েছে। এখন তাদের প্রত্যাশা দল সরকার গঠন করলে হেলালকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হোক। দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে হেলালের নামও ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা হয়নি। বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সিদ্ধান্তের ওপর। রূপসা উপজেলার বাসিন্দা ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু বলেন, “আমাদের অঞ্চলের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রত্যাশা রয়েছে। হেলাল ভাইকে যদি মন্ত্রী করা হয়, তাহলে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ার সার্বিক উন্নয়নে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সৌদি আরবপ্রবাসী তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা খান সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা তেরখাদাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছি হেলাল ভাইকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা নিয়েই। তিনি শুধু রূপসার নন, পুরো খুলনা বিভাগের একজন যোগ্য নেতৃত্ব। তাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। তেরখাদা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোহাগ মুন্সীও একই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আমাদের নেতা আজিজুল বারী হেলালও থাকতে পারেন বলে আমরা আশা করছি। তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়ার মানুষ তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, এলাকাবাসী আমাকে উন্নয়নের প্রত্যাশায় ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছেন। তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে মন্ত্রী করা হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, তা জানা যাবে। আগাম কাউকে মন্ত্রী হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। এদিকে খুলনা-৪ আসনে বিজয়ের পর স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত অপেক্ষার বার্তা দিচ্ছেন।

